আইসিসিডির ২৬.০৬.২০২৩ তারিখের প্রতিবেদন ও ৩১.০৭.২০২৪ তারিখের বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনে এসব অনিয়ম প্রমাণিত হয়। তদন্ত কমিটি তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিলেও অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে "বড় ধরনের শাস্তি"-র আওতায় আনা হয়।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পর্যালোচনায় দেখা যায়, তার কর্মকাণ্ডের ফলে ব্যাংক আনুমানিক ৪,৬১৩.৫৩ কোটি টাকা আর্থিক ঝুঁকির সম্মুখীন হয়।
ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২.০২.২০২৪ তারিখ থেকে তাকে প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ব্যাংকে চাকরিকালীন সময়ে তার কর্মকাণ্ড, অবহেলা ও অসদাচরণের কারণে ব্যাংকের যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তা রাষ্ট্রীয় ক্ষতির আওতায়ও পড়ে।
এ কারণে অভিযোগকারীরা তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও দুদকের কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।
ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান এটি ব্যাংকে সুশাসন রক্ষার্থে একটি নিয়মিত জরুরী পদক্ষেপ, যা নিয়মকানুন মেনে করা হয়েছে। এর কারণে গ্রাহক পর্যায়ে কোন ধরনের কোন প্রভাব পড়বে না, গ্রাহকরা তাদের দৈনন্দিন ব্যাংকিং কর্মকান্ড স্বাভাবিকভাবে ও আরও সুনিশ্চিত ভাবে করতে পারবেন বলে সর্বোচ্চ পর্যায়ে থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে। শুধুমাত্র ব্যাংকের পাওনা টাকা উদ্ধারকল্পে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে সর্বোচ্চ পর্যায়ে থেকে জানানো হয়।