calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / অপরাধ / ৪,৬১৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক ডিএমডির বিরুদ্ধে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অপরাধ বিশেষ প্রতিবেদন

৪,৬১৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক ডিএমডির বিরুদ্ধে

ভুয়া বিল ও ঋণের নামে প্রায় ৪ হাজার ৬১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির চাকরিচ্যুত উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শহীদ হাসান মল্লিকের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬ • সন্ধ্যা ০৭:০৬
history আপডেট: ২ মাস আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১০৫ বার পঠিত

আইসিসিডির ২৬.০৬.২০২৩ তারিখের প্রতিবেদন ও ৩১.০৭.২০২৪ তারিখের বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনে এসব অনিয়ম প্রমাণিত হয়। তদন্ত কমিটি তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিলেও অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে "বড় ধরনের শাস্তি"-র আওতায় আনা হয়।

 

ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পর্যালোচনায় দেখা যায়, তার কর্মকাণ্ডের ফলে ব্যাংক আনুমানিক ৪,৬১৩.৫৩ কোটি টাকা আর্থিক ঝুঁকির সম্মুখীন হয়।

 

ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২.০২.২০২৪ তারিখ থেকে তাকে প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

 

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ব্যাংকে চাকরিকালীন সময়ে তার কর্মকাণ্ড, অবহেলা ও অসদাচরণের কারণে ব্যাংকের যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তা রাষ্ট্রীয় ক্ষতির আওতায়ও পড়ে।

 

এ কারণে অভিযোগকারীরা তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও দুদকের কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।

 

ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান এটি ব্যাংকে সুশাসন রক্ষার্থে একটি নিয়মিত জরুরী পদক্ষেপ, যা নিয়মকানুন মেনে করা হয়েছে। এর কারণে গ্রাহক পর্যায়ে কোন ধরনের কোন প্রভাব পড়বে না, গ্রাহকরা তাদের দৈনন্দিন ব্যাংকিং কর্মকান্ড স্বাভাবিকভাবে ও আরও সুনিশ্চিত ভাবে করতে পারবেন বলে সর্বোচ্চ পর্যায়ে থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে। শুধুমাত্র ব্যাংকের পাওনা টাকা উদ্ধারকল্পে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে সর্বোচ্চ পর্যায়ে থেকে জানানো হয়।