বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ব্র্যান্ডটির ফ্ল্যাগশিপ স্টোর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে শুরু হয় ক্যাফে আমাজনের কার্যক্রম। পরবর্তীতে বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের অ্যাট্রিয়ামে জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক উদযাপন অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশে ক্যাফে আমাজনের আগমন শুধু একটি আন্তর্জাতিক কফি ব্র্যান্ডের যাত্রা নয়, বরং দেশের আধুনিক রিটেইল খাত, তরুণ উদ্যোক্তা এবং কর্মসংস্থানের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের দূরদর্শী নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের পণ্য, সেবা ও ব্যবসায়িক উদ্যোগ নিয়ে আসছে। ক্যাফে আমাজনের মাধ্যমে দেশের ভোক্তাদের জন্য বিশ্বমানের ক্যাফে অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং উদ্যোক্তা তৈরির নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ক্যাফে আমাজন বাংলাদেশের লক্ষ্য শুধু কয়েকটি আউটলেট স্থাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দীর্ঘমেয়াদে সারা দেশে একটি শক্তিশালী ফ্র্যাঞ্চাইজি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তারা যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন এবং দেশজুড়ে আন্তর্জাতিক মানের ক্যাফে সেবা আরও সহজলভ্য হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর এবং তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান।
টিবিজির (Tanvir Bashundhara Group) ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ ইব্রাহিম সোবহানের নেতৃত্বে পিটিটি ওআর-এর সঙ্গে এই কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ক্যাফে আমাজন বাংলাদেশে এসেছে। এ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মানের গুণগত সেবা, পরিচালন দক্ষতা এবং গ্রাহক সন্তুষ্টির প্রতি উভয় প্রতিষ্ঠানের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
অনুষ্ঠানে আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান বলেন, “আমরা বাংলাদেশকে শুধু একটি বিকাশমান বাজার হিসেবে দেখছি না, বরং অসাধারণ সম্ভাবনাময় একটি দেশ হিসেবে বিবেচনা করছি। পিটিটি ওআর-এর সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিশ্বমানের একটি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নতুন সুযোগ তৈরি করবে। ক্যাফে আমাজন একটি বৃহত্তর যাত্রার সূচনা, যা আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে।”
উদ্বোধনী আয়োজন ছিল বর্ণাঢ্য ও বৈচিত্র্যময়। থাই সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ঐতিহ্যবাহী মুয়ে থাই মার্শাল আর্ট প্রদর্শনী, গ্রাহক অ্যাক্টিভেশন, জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ ও জেফার রহমানের মনোমুগ্ধকর সংগীত পরিবেশনা এবং ক্যাফে আমাজনের জনপ্রিয় মাসকট ‘জোনজোন’-এর উপস্থিতিতে দর্শনার্থীরা উপভোগ করেন থাই সংস্কৃতি ও আতিথেয়তার অনন্য অভিজ্ঞতা।