বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র বা অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিশরের যে পুরোনো সম্পর্ক এবং শান্তি চুক্তিগুলো আছে, তা যেন এই জোটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়—সে বিষয়ে কায়রো অত্যন্ত সতর্ক। মিশর এমন কোনো চুক্তিতে জড়াতে চাইবে না যা তাদের জোর করে অন্য কারো যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলতে পারে।
এছাড়া ইসরাইল কিংবা লিবিয়া ইস্যুতে তুরস্কের সঙ্গে মিশরের কিছু মতপার্থক্য থাকায়, আইনি ও নিরাপত্তার বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করেই কেবল তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
মিশরের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোরও এই জোটে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হামাদ বিন জাসিম আল থানি আশা প্রকাশ করেছেন, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসির সব দেশই যেন এই জোটে যোগ দেয়। তুরস্ক জানিয়েছে, নাম প্রকাশ না করা বেশ কিছু দেশ ইতোমধ্যে এই জোটে যোগ দেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে কাতার এবং কুয়েতের এই জোটে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। কারণ সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাতের পর এই দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে কিছুটা চিন্তিত এবং বাড়তি নিরাপত্তার জন্য তারা এমন জোটে যুক্ত হতে পারে। এছাড়া আজারবাইজান, সিরিয়া ও জর্ডানের মতো দেশগুলোও খুব দ্রুত এই জোটে চলে আসতে পারে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই জোট রাতারাতি বিশাল কোনো সামরিক শক্তি হয়ে উঠবে না, বরং পরিস্থিতি বুঝে এক এক করে বিভিন্ন দেশ এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।
সূত্র: আল-জাজিরা।