ফরেনসিক চিকিৎসক কার্লোস কাসিনেল্লি জানান, তিনি বেশ কিছু ‘সতর্কতার লক্ষণ’ লক্ষ্য করেছিলেন। এর মধ্যে ছিল পায়ের নিচের অংশে, আঙুলে ফোলাভাব, শ্বাসকষ্ট, উচ্চ রক্তচাপ এবং অস্বাভাবিক দ্রুত হৃদস্পন্দনের লক্ষণ।
বুয়েনস আইরেসের উত্তরে সান ইসিদ্রোর আদালতে তিনি বলেন, ‘কেউ গিয়ে দেখেননি, ওই ফোলাভাব আসলে কী নিয়ে হচ্ছে।’ যদিও এটি ছিল ‘জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ’ একটি বিষয়।
কাসিনেল্লি একটি চিকিৎসা বোর্ডের সদস্য। এই বোর্ড ম্যারাডোনার স্বাস্থ্যের অবস্থা নির্ধারণের জন্য বিভিন্ন নথি এবং বিবৃতি বিশ্লেষণ করেছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের বিশ্বাস, চিকিৎসকরা এই সতর্কতার লক্ষণগুলো আমলে নেননি। কারণ তাদের চিকিৎসার পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।’ তিনি আরও বলেন, বাড়িতে চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্তটিই ছিল একটি ভুল।
সাক্ষীর তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর কয়েকদিনের মধ্যেই এই ফুটবলারের অবস্থার অবনতি হতে থাকে।
তিনি বলেন, ‘তার অবস্থার অবনতি ধারাবাহিকভাবে হচ্ছিল... এই বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া যেত।’
বার্সেলোনা এবং নাপোলির সাবেক এই তারকা মৃত্যুর আগে প্রায় ১২ ঘণ্টা কষ্ট সহ্য করেছিলেন বলে জানান কাসিনেল্লি।
অভিযুক্তরা ম্যারাডোনার মৃত্যুর দায় অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, বছরের পর বছর কোকেন এবং মদ্যপানের আসক্তির সঙ্গে লড়াই করা এই কিংবদন্তি স্বাভাবিক কারণেই মারা গেছেন।
এই বিচারকাজ আগস্ট মাস পেরিয়েও চলতে পারে।