জামানতবিহীন ঋণের সুদের হার ৪ থেকে ৬ শতাংশ সুদহারে দেওয়া যায় কিনা তা নিয়ে আলোচনা হয় জানিয়ে মাসরুর আরেফিন বলেন, উপজেলা পর্যায়ে তরুণ উদ্যোক্তাদের চিহ্নিত করাটাই যৌক্তিক কাজ হবে। সারা দেশে ৫০০ উদ্যোক্তা তৈরি হলেও অনেক। এটা নতুন ব্যবসায়ী হতে হবে, নাকি চলমান ব্যবসা এক বছর হতে হবে এসব জিনিসগুলো এখনও ঠিক হবে।
মাসরুর আরেফিন বলেন, উপজেলা ধরে ধরে আমরা যাব। ওই লোনের পারফরমেন্স ভালো হলে, রিপেমেন্ট ভালো হলে তাদের জন্য আবার আমাদের গ্র্যান্টও থাকবে। ঋণের পাশাপাশি সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। আরও বলেন, তরুণ উদ্যোক্তাদের শুধু ঋণই না, গ্রান্টও দেওয়া হবে। ১০ লাখ টাকা ঋণ আর ১০ লাখ টাকা গ্র্যান্ট দিলে তিনি তো ২০ লাখ টাকা পাবেন। গ্র্যান্ট সিএসআর থেকে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
উদ্যোক্তা নির্বাচন প্রসঙ্গে মাসরুর আরেফিন বলেন, সঠিক ব্যক্তির কাছে তহবিল যেন যায়, যাতে কোনো তদবির না লাগে। সারাদেশের উপজেলাগুলো ব্যাংকগুলোর মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। একেকটি উপজেলার তরুণ উদ্যোক্তা নির্বাচন করবে নির্ধারিত ব্যাংক। নতুন এ পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠনের বিষয়টি একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।