নেদারল্যান্ডসের নিয়ম অনুযায়ী, ১২টি পরিবারে ২৫টির বেশি শিশুর বাবা হতে পারবেন না কোনো (শুক্রাণু) দাতা। কিন্তু ওই ব্যক্তি ২০০৭ সালে শুক্রাণু দান শুরুর পর সাড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ শিশুর বাবা হয়েছেন। ডাচ আদালতের বিচারক থেরা হেসেলিঙ্ক বলেন, আদালতের আদেশ অমান্য করলে ওই ব্যক্তিকে প্রতি শুক্রাণু দানের জন্য এক লাখ ইউরো জরিমানা করা হবে।
জনাথন এমের শতাধিক শিশু নেদারল্যান্ডসের বিভিন্ন ক্লিনিক অথবা বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে জন্ম নিয়েছে। আদালতে উত্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ডেনমার্কের ক্লিনিক ক্রিয়সেও শুক্রাণু দিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে এ শুক্রাণু ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্লিনিকে গেছে। বিচারক সতর্ক করে বলেন, বিষয়টি মনস্তাত্বিক জটিলতা তৈরি করতে পারে। কারণ, একই এলাকায় বিপুলসংখ্যক শিশু রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ। এ কারণে বিষয়টিকে আর বাড়তে দেওয়া যাবে না।
নেদারল্যান্ডসে এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়। ২০২০ সালে একই পদ্ধতিতে ১৭ সন্তান জন্মদানের অভিযোগ ওঠে এক স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের বিরুদ্ধে। এ ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি বলেছিলেন, শুক্রাণু বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে। আগের বছর, অর্থাৎ ২০১৯ সালে রোটেরডেম শহরে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গর্ভধারণের চিকিৎসা নিতে আসা নারীদের মাধ্যমে ৪৯ শিশু জন্ম দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খবর এএফপির।
‘জনাথন এম’ ৫৫০ সন্তানের বাবা তিনি!
নেদারল্যান্ডসে এক ব্যক্তি ৪১ বছর বয়সেই সাড়ে ৫০০ সন্তানের বাবা হয়েছেন। দেশটির বিভিন্ন ফার্টিলিটি সেন্টারে শুক্রাণু দেওয়ার মাধ্যমে তিনি এ সন্তানদের বাবা হন। শুক্রবার ওই ব্যক্তিকে নোটিশ পাঠিয়েছেন আদালত। নোটিশে তাঁকে...