জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে তিনি লাহোরে তার ‘জামান পার্ক’ বাসভবনে রয়েছেন। সেখানে ৯ মে সহিংসতায় জড়িত অনেকে লুকিয়ে রয়েছেন বলে অভিযোগ করে আসছিল সরকার ও পুলিশ বাহিনী। তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আলটিমেটামও দেওয়া হয়েছিল। সেই আলটিমেটাম শেষ হওয়ার পরদিন শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ ইমরান খানের বাসভবনে ঢুকে দেড় ঘণ্টার একটি অভিযানও চালায়। কিন্তু সেখান থেকে পুলিশকে খালি হাতে ফিরতে হয়। তবে সে অভিযানের পাশাপাশি জামান পার্কে ইমরান খানের সঙ্গে পাঞ্জাব পুলিশ একটি বৈঠকও করে। সে বৈঠকের বিষয়ে দুই তরফ থেকে সেদিন কিছু বলা না হলেও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে যে, ইমরান খানকে বিদেশে পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ গুজবের মধ্যেই সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী শনিবার তার সমর্থকদের উদ্দেশে এক বক্তব্যে বলেন, বৈঠকে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, দেশ ছাড়তে আহ্বান জানানো হলে তিনি দেশ ছাড়বেন কি না। এ প্রসঙ্গে তিনি তাদের উল্টো প্রশ্ন করে বলেন, আমি কেন দেশ ছাড়ব? তিনি দেশ ছাড়বেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়ে বলেন, দেশের বাইরে আমার কোনো সম্পদ নেই। আমি সবকিছু বিক্রি করে দিয়ে এখানে (পাকিস্তানে) এসেছি। এটা আমার দেশ। কাজেই আমার দেশ ছাড়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
ইমরান খান কারও চাপে দেশ ছাড়বেন না
কারও চাপে দেশ ছেড়ে বিদেশে যাবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। পাকিস্তানের রাজনীতিতে ‘মাইনাস ইমরান’ ফর্মুলা বাস্তবায়নের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর গত শনিবার এ নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। এদিন...