যৌথ বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের জন্য সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।
ট্রুডোর সাবেক বৈদেশিক নীতির উপদেষ্টা ও অটোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোল্যান্ড প্যারিস বলেন, আঞ্চলিক শক্তির দিক থেকে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির সঙ্গে যোগাযোগ সচল রাখতে পুনরায় রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করাই যৌক্তিক। ২০১৮ সালে সাংবাদিক জামাল খাসোগির হত্যায় সৌদি আরবের নিন্দা জানিয়েছিল কানাডাসহ অন্যান্য পশ্চিমা দেশ। একই বছর রিয়াদে কানাডার দূতাবাস থেকে সৌদি আরবের আটককৃত নারী অধিকারকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে পোস্ট করেন কর্মকর্তারা। এ ঘটনায় অটোয়া থেকে রাষ্ট্রদূত ফিরিয়ে নেওয়াসহ নতুন বাণিজ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রিয়াদ।