এ বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে ২ পক্ষ একমত হয়েছে। সৌদি আরব নিজেদের বেসামরিক পারমাণবিক প্রকল্প চালু, এর বাস্তবায়নে মার্কিন সহযোগিতা ও এ-সংক্রান্ত নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিনিময়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে রাজি হয়েছে। বৈঠকে সুদান ও ইয়েমেনে সংঘাত নিরসনের প্রচেষ্টার ওপরও আলোকপাত করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, দুই দেশের স্বার্থ জড়িত আছে এ রকম কিছু সম্ভাব্য যৌথ উদ্যোগ ও মতভেদের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তাঁদের মধ্যে।
এক ঘণ্টা ৪০ মিনিটের বৈঠকে ব্লিংকেন সাধারণ ও নির্দিষ্ট উভয়ক্ষেত্রেই মানবাধিকারের বিষয়টি তুলে ধরেন বলে কর্মকর্তা জানিয়েছেন। উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদে যোগ দিতে বুধবার তিনি রিয়াদে পৌঁছেন। বেশ কয়েক দিন ধরে ইরান নীতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, তেলের দাম ও মানবাধিকারসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে মতভেদের কারণে ২ দেশের কূটনীতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে।
ওয়াশিংটন মনে করে, কয়েক দফা আলোচনার মাধ্যমে ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে এবং এ অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান রুশ ও চীনা আধিপত্য কমবে। খবর আলজাজিরা ও রয়টার্সের।