তবে মিলারদের দাম বাড়ানোর এ সিদ্ধান্তের খবর পেয়ে পাইকারি বাজারে আগেভাগেই চিনির দাম বাড়ানো হলো। দুই দিন আগে পাইকারিতে চিনির বস্তা ছিল ৬ হাজার ২০০ টাকা। গতকাল তা বিক্রি হয়েছে ৬ হাজার ৪০০ থেকে ৬ হাজার ৪৫০ টাকায়। খুচরা বিক্রেতাদের কেউ কেউ প্রতি কেজি খোলা চিনি ১৩৫ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি করেছেন। এক দিন আগেও বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকায়।
মালিবাগে মায়ের দোয়া স্টোরের বিক্রয়কর্মী আল আমিন সরকার সমকালকে বলেন, ‘এক দিনেই পাইকারি বাজারে বস্তায় আড়াইশ টাকা বেড়ে গেছে। প্রতি বস্তা কিনেছি ৬ হাজার ৪৫০ টাকায়।’ কারওয়ান বাজারের আব্দুর রব স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. নাঈম বলেন, ‘আগের দিন প্রতি কেজি চিনি ১৩০ টাকায় বিক্রি করেছি। এখন ১৪০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।’ তেজকুনিপাড়া এলাকার মায়ের দোয়া স্টোর-১ এর স্বত্বাধিকারী মো. হেলাল বলেন, ‘গত রোববার মোহাম্মদপুর পাইকারি বাজার থেকে প্রতি বস্তা কিনেছি ৬ হাজার ১৫০ টাকা, সোমবার ৬ হাজার ২৭০ টাকা এবং মঙ্গলবার কিনেছি ৬ হাজার ৩৭০ টাকায়।’
বাংলাদেশ পাইকারি চিনি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. মফিজুল হক বলেন, পাইকারি পর্যায়ে দাম এখনও বেশি বাড়েনি। বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ২০০ থেকে ৬ হাজার ৩০০ টাকা দরে। মিল থেকে নতুন দরের চিনি এলে তখন নতুন দরেই বিক্রি হবে।
এদিকে চিনির দাম নতুন করে না বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে ক্যাব জানায়, চিনিকল মালিকদের এ সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক, ভোক্তা স্বার্থবিরোধী ও অন্যায়। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর না করার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে ক্যাব।