বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ২০ জুনের মধ্যে রেমিট্যান্স হিসেবে দেশে ১ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার।
২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ১৩ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে।
এ বিক্রয় সাধারণত সরকারি এলসি’র অর্থপ্রদান এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
সরকার মার্চ ও এপ্রিলের জন্য এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন বা এসিইউ’কে ১ দশমিক ১ বিলিয়ন আমদানি বিল পরিশোধ করার পরে ৮ মে রিজার্ভ ২৯ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।
১০ মে এটি আবার বেড়ে ৩০ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে, যা এর মাত্র একদিন আগে ২৯ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার ছিল।
২৫ মে থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, রিজার্ভ ফের ২৯ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। সেটি বুধবার আবার ৩০ বিলিয়ন ছাড়াল।
রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলারে ছাড়ালো আবারো
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ২১ জুন রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ০২ বিলিয়ন। যা এর আগের দিন মঙ্গলবারেও (২০ জুন) ছিল ২৯ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার। কারণ হিসেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি)...