calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / অপরাধ / ৫ কোটি টাকার জাল নোট ছেড়েছে একটি চক্র: ডিবি দুই মাসে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অপরাধ বিশেষ প্রতিবেদন

৫ কোটি টাকার জাল নোট ছেড়েছে একটি চক্র: ডিবি দুই মাসে

কোরবানির ঈদকে টার্গেট করে গত দুই মাসে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার জাল নোট বাজারে ছেড়েছে একটি চক্র। চক্রটি আরও দুই থেকে তিন কোটি টাকার জাল নোট বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। জাল নোট প্রস্তুতকারী ওই চক্রের মহাজনসহ ৯ সদস্যকে...

person
স্টাফ রিপোর্টার verified
Junior Reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ২৬ জুন ২০২৩ • রাত ০৯:২৫
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৫৫ বার পঠিত

গ্রেপ্তাররা হলেন– চক্রের মহাজনখ্যাত বাবুল মিয়া, তার স্ত্রী মিনারা খাতুন; মূল কারিগর সাইফুল ইসলাম, তার স্ত্রী মিলি খাতুন; মহিলা কারিগর আলপনা আক্তার, ইব্রাহিম, আফাজুল ওরফে রাসেল, হাবিবুল্লাহ ও দুলাল হোসেন। রোববার রাজধানীর লালবাগ কাশ্মীর এলাকা থেকে বাজারে ছাড়ার জন্য প্রস্তুত ৮২ লাখ টাকার জাল নোটসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ‘গ্রেপ্তারদের মধ্যে বাবুল জাল টাকা নিয়ে এখন পর্যন্ত ছয় বার, তার স্ত্রী মিনারা খাতুন তিন বার এবং সাইফুল ইসলাম দুই বার বিভিন্ন মেয়াদে জেল হাজতে ছিলেন। জামিনে মুক্তি পেতে তাদের লাখ লাখ টাকা খরচ হয়। উচ্চ সুদে ধার নেওয়া ঋণ পরিশোধ করতে আবারও তারা একই কাজে জড়িয়ে পড়েন।’

ডিবি কর্মকর্তা বলেন, ‘চক্রটি এই জাল টাকারা নোট প্রত্যন্ত এলাকায় ছড়িয়ে দিচ্ছে। তাদের মার্কেটে পেইড এজেন্ট রয়েছে। তাদের মাধ্যমেও চক্রটি জাল টাকা ছড়িয়ে দিত। এছাড়া তারা জেলে থেকেও জাল টাকার সিন্ডিকেট তৈরি করে। যারা জেল থেকে বের হয়ে পরে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করে। এছাড়া মহাজন এসব জাল নোট বিক্রির টাকা দিয়ে গাড়ি-বাড়ি করেছেন। শুধু তাই নয়, একাধিক বিয়ে করেছেন। পরবর্তীতে তাদের দিয়েও জাল নোট তৈরির ব্যবসা শুরু করেন।’

হারুন বলেন, ‘গোয়েন্দা সূত্র ধরে প্রথমে ইব্রাহিম, আফাজুল ওরফে রাসেল, হাবিবুল্লাহ ও দুলাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কাশ্মীর লেনের একটি জাল টাকার কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। সেখানে জাল টাকা তৈরিরত অবস্থায় কারখানার মহাজন বাবুল মিয়াসহ অন্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। ঘরোয়া কারখানা থেকে জাল টাকা তৈরির কাজে ব্যবহৃত ল্যাপটপ, প্রিন্টার, জলছাপ যুক্ত বিশেষ কাগজ, বিভিন্ন রকমের মনোগ্রাম সম্বলিত স্ক্রিন, ডাইস, বিভিন্ন রঙের কালি, কাগজ কাটার যন্ত্র, কাচি, চাকুসহ দুই কোটি জাল টাকা তৈরি করার উপযোগী সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।’

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে। চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য তাদেরকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও জানান হারুন।

tag ট্যাগ: #1111