এছাড়া এ সপ্তাহে ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী একটি প্রতিনিধি দল। তাই কিছুটা আগেই সরকার পতনের এক দফার আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।
এ লক্ষ্যে আগামী ১২ জুলাই সরকারবিরোধী একদফা আন্দোলনের চূড়ান্ত ঘোষণা দিতে যাচ্ছে বিএনপি। রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠেয় ‘বিশাল’ সমাবেশ থেকে এই ঘোষণা দেবে দলটি। এ জন্য বিএনপি ও অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনকে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের (ভার্চুয়ালি) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রায় এক ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সমাবেশের অনুমতি চেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে লিখিত আবেদন করা হবে।
এই এক দফার আন্দোলনের ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিএনপি বিদেশি প্রতিনিধিদের কাছে বার্তা পৌঁছাতে চায় যে, তারা এই সরকারের পতনের আন্দোলনে চূড়ান্ত ধাপে নেমেছে।
ইইউ দূতাবাসের একটি সূত্রে জানা গেছে, এ প্রতিনিধিদলের মূল কাজ হবে ইইউর পর্যবেক্ষকদের কর্মপরিধি, পরিকল্পনা, তাদের জন্য বাজেট, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, নিরাপত্তা ইত্যাদি মূল্যায়ন করা। এ ছাড়া তারা সরকারের প্রতিনিধি, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা এবং সুশীলসমাজ ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর পর ব্রাসেলস ফিরে গিয়ে তারা এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেবেন।
এদিকে রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একদফার আন্দোলনের সিদ্ধান্তসহ সার্বিক পরিস্থিতি চেয়ারপারসনকে অবহিত করতেই মহাসচিব এ সাক্ষাৎ করেন বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা।
বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করে যুগান্তরকে জানান, ‘বিএনপি মহাসচিব এ সাক্ষাতে ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিয়েছেন।’