জলবায়ুর বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে ইতোমধ্যে খরা পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। এতে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় খাদ্যাভাব দেখা দিয়েছে। উন্নত দেশগুলোতে বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলেও তারা খাদ্যসংকটে পড়ছে না। অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো এ সংকটের মধ্যে রয়েছে। জাতিসংঘ আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, আগামী কয়েক বছরে বিশ্বব্যাপী খাদ্যসংকট তীব্র হয়ে উঠতে পারে। আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার কথা বললেও, প্রতি বছরই চাল, ডাল থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করে থাকি। দেশের প্রধান ফসল ধান উৎপাদনকারী হাওর অঞ্চল প্রায়ই বন্যাকবলিত হয়ে ডুবে যায়। এতে খাদ্যের বিপুল ক্ষতি সাধিত হয়। বিশ্বে খাদ্যমূল্য দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থনৈতিক সংকটও তীব্র হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। ইতোমধ্যে ডলার সংকট এতটাই তীব্র আকার ধারণ করেছে যে, আমদানি কমিয়ে দিতে হয়েছে। রিজার্ভও বিগত বছরগুলোর চেয়ে সর্বনি¤œ অবস্থায় এসে ঠেকেছে। নিত্যপণ্যের দাম বহুদিন ধরেই আকাশছোঁয়া। ডলার সংকটের কারণে খাদ্য আমদানিও হ্রাস পাচ্ছে। বলার অপেক্ষা রাখে না, যেসব দেশ থেকে খাদ্য আমদানি করা হবে, সেসব দেশে খাদ্য উৎপাদন হ্রাস পেলে অর্থ দিয়েও তা পাওয়া যাবে না। তারা নিজের চাহিদা মেটাতে খাদ্য রফতানি বন্ধ করে দিতে পারে। এ প্রেক্ষিতে, জলবায়ুর বিরূপ পরিবর্তন মোকাবেলায় আমাদের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
খাদ্য সংকট ও আবহাওয়ার বিপর্যয় মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বে আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ক্রমাগত তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর প্রতিক্রিয়ায় বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিচ্ছে। উন্নত বিশ্ব থেকে শুরু করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে...