এদিন ম্যাচের ৭.২ ওভার খেলা হওয়ার পর বৃষ্টি নামে। ফলে বন্ধ থাকে খেলা। ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট পর ফের খেলা শুরু হলে কমে আসে ম্যাচের পরিধি। তিন ওভার করে কাটা হয় ম্যাচের। তবে ম্যাচের শুরু থেকেই দারুণ বোলিং করেন বাংলাদেশের বোলাররা। শুরুটা করেন তাসকিন আহমেদ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নেন। চতুর্থ বলে রহমানউল্লাহ গুরবাজের হাতে ছক্কা খাওয়ার পরের বলে আউট করেন তাকে। তার বাউন্সারে পুল করতে গেলে গুরবাজের ব্যাটের কানায় লেগে উঠে যায় আকাশে। নিজেই সেই ক্যাচ লুফে নেন তাসকিন। তাতে অনন্য এক মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বোলার ও দ্বিতীয় পেসার হিসেবে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত এ সংস্করণে ৫০ উইকেট পূরণ করেন তিনি।
এক ওভার পর ফিরে এক্সট্রা বাউন্সারে পরাস্ত করে আরেক ওপেনার হজরতউল্লাহ জাজাইকেও ফেরান তাসকিন। কাট করতে গেলে ব্যাটের কানায় লেগে চলে যায় উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে। ফলে পাওয়ার প্লেতে খুব একটা সুবিধা করে উঠতে পারেনি সফরকারীরা। ২ উইকেটে তোলে ৩৪ রান। এর কিছুক্ষণ পরই নামে বৃষ্টি। বৃষ্টির পরও চাপ অব্যাহত রাখে বাংলাদেশ। তবে নবম ওভারে দুইবার জীবন পান মোহাম্মদ নবি। আগের ম্যাচেই যিনি হাফসেঞ্চুরি করে আফগানদের লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিয়েছিলেন। তবে পরের ওভারেই উইকেটরক্ষক লিটনের ক্যাচে পরিণত করে তাকে ফেরান মুস্তাফিজ।
পরের ওভারে তো জোড়া ধাক্কা দেন সাকিব। প্রথম বলে ইব্রাহীম জাদরানকে ফেরানোর পর শেষ বলে ফেরান নজিবউল্লাহ জাদরানকে। তাতে বড় চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা। এরপর করিম জানাতকে নিয়ে দলের হাল ধরেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ৪২ রানের জুটি গড়ে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন এ দুই ব্যাটার। আফগানিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন ওমরজাই। ২১ বলে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। ২২ রান করেন ইব্রাহীম। ১৫ বলে ২০ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন জানাত। বাংলাদেশের পক্ষে ৩৩ রানের খরচায় ৩টি উইকেট নেন তাসকিন। এছাড়া ২টি করে উইকেট পান সাকিব ও মুস্তাফিজ।
আফগান জয়ে নতুনের বারতা
টি-টোয়েন্টিতে এখনও নিজেদের পায়ের নীচে মাটি খুঁজে পায়নি বাংলাদেশ। নবীন আফগানদের বিপক্ষেও আগের দুই সিরিজে সাফল্য নেই লাল-সবুজ পতাকাধারীদের। দেহরাদুনে ২০১৮ সালে ৩-০তে জেতে আফগানিস্তান। মিরপুরে গত বছরের দুই ম্যাচের সিরিজ...