calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / অর্থনীতি / সরকারি ব্যাংকের লোকসানি শাখা কমানো যাচ্ছে না
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অর্থনীতি বিশেষ প্রতিবেদন

সরকারি ব্যাংকের লোকসানি শাখা কমানো যাচ্ছে না

দফায় দফায় পদক্ষেপ নেয়া সত্ত্বেও সরকারি ব্যাংকের লোকসানি শাখা কমানো যাচ্ছে না। প্রতি বছরই লোকসানি শাখার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ফলে এক বছরের ব্যবধানে রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকের এই ধরনের শাখার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৩১টি। সদ্য...

person
স্টাফ রিপোর্টার verified
Junior Reporter
schedule প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৮ আগস্ট ২০২৩ • দুপুর ০১:০৭
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৬ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৮৬ বার পঠিত

প্রাপ্ত তথ্য মতে, আগের অর্থবছরের তুলনায় সমাপ্ত অর্থবছরে সোনালী ও অগ্রণী ব্যাংকের লোকসানি শাখার সংখ্যা কমেছে; অন্য দিকে বেড়েছে জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল-এর। তবে এপিএ’র লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, লোকসানি শাখা বেশি শুধু বেসিক আর বিডিবিএল-এ।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরের তুলনায় সমাপ্ত অর্থবছরে রূপালী ব্যাংকের লোকসানি শাখার সংখ্যা বেড়েছে ১৬টি। এপিএ’র আওতায় সমাপ্ত অর্থবছরে ব্যাংকটির লোকসানি শাখার স্থিতির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩০টি। এর বিপরীতে গত জুন শেষে রূপালী ব্যাংকের মোট লোকসানি শাখার স্থিতি দাঁড়িয়েছে ২৬টি। এর আগের অর্থবছর শেষে ব্যাংকটির লোকসানি শাখার স্থিতি ছিল ১০টি।

এক বছরের ব্যবধানে বিডিবিএল-এর লোকসানি শাখার সংখ্যা বেড়েছে ৯টি। এপিএ’র আওতায় বিডিবিএল-এর লোকসানি শাখার স্থিতি ১৫টির মধ্যে সীমিত রাখতে বলা হয়েছিল। এর বিপরীতে ব্যাংকটির লোকসানি শাখার স্থিতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪টি। এর আগের অর্থবছর শেষে ব্যাংকটির লোকসানি শাখার স্থিতি ছিল ১৫টি।

বেসিক ব্যাংকের লোকসানি শাখার সংখ্যা বেড়েছে ৮টি। এপিএ’র আওতায় ব্যাংকটির লোকসানি শাখার স্থিতি ২৩টির মধ্যে সীমিত রাখতে বলা হয়েছিল। এর বিপরীতে ব্যাংকটির লোকসানি শাখার স্থিতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১টি। এর আগের অর্থবছর শেষে ব্যাংকটির লোকসানি শাখার স্থিতি ছিল ২৩টি।

রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লোকসানি শাখা জনতা ব্যাংকে। এক বছরের ব্যবধানে জনতা ব্যাংকের লোকসানি শাখার সংখ্যা বেড়েছে ৭টি। এপিএ’র আওতায় ব্যাংকটির লোকসানি শাখার স্থিতি ৫০টির মধ্যে সীমিত রাখতে বলা হয়েছিল। এর বিপরীতে জনতা ব্যাংকের লোকসানি শাখার স্থিতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭টি। এর আগের অর্থবছর শেষে ব্যাংকটির লোকসানি শাখার স্থিতি ছিল ৪০টি।

সমাপ্ত অর্থবছরে অগ্রণী ব্যাংকের লোকসানি শাখার সংখ্যা ৬টি কমেছে। এপিএ’র আওতায় ব্যাংকটির লোকসানি শাখার স্থিতি ৩৫টির মধ্যে সীমিত রাখতে বলা হয়েছিল। এর বিপরীতে অগ্রণী ব্যাংকের লোকসানি শাখার স্থিতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮টি। এর আগের অর্থবছর শেষে ব্যাংকটির লোকসানি শাখার স্থিতি ছিল ২৪টি।

জানা গেছে, এক বছরের ব্যবধানে সোনালী ব্যাংকের লোকসানি শাখার সংখ্যা কমেছে ৩টি। এপিএ’র আওতায় ব্যাংকটির লোকসানি শাখার স্থিতি ২৫টির মধ্যে সীমিত রাখতে বলা হয়েছিল। এর বিপরীতে সোনালী ব্যাংকের শাখার স্থিতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪টি। এর আগের অর্থবছর শেষে ব্যাংকটির লোকসানি শাখার স্থিতি ছিল ১৭টি।

এ দিকে এপিএ’র আওতায় চলতি অর্থবছরে সোনালী ব্যাংকের লোকসানি শাখার স্থিতি ২২টির মধ্যে; জনতা ব্যাংকের লোকসানি শাখার স্থিতি ৪৬টির মধ্যে; অগ্রণী ব্যাংকের লোকসানি শাখার স্থিতি ৩০টির মধ্যে; রূপালী ব্যাংকের লোকসানি শাখার স্থিতি ২৫টির মধ্যে; বেসিক ব্যাংকের লোকসানি শাখার স্থিতি ২০টির মধ্যে এবং বিডিবিএল-এর ব্যাংকের লোকসানি শাখার স্থিতি ১৫টির মধ্যে সীমিত রাখতে জানানো হয়েছে বলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

tag ট্যাগ: #1111