তিনি বলেন, আজ চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হয় ক্যাসিনো সম্রাটকে, মোফাজেল হোসেন চৌধুরী মায়াকে, হাজী সেলিমকে। ওবায়দুল কাদের নিজেও চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে আছেন। অথচ দেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী খালেদা খালেদা জিয়াকে যথাযথ চিকিৎসার সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। এতে তার সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। আইনকে ভায়োলেট করা হচ্ছে।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অভিযোগ করেন, এসব কিছু হচ্ছে এক ব্যক্তির নির্দেশে। আর তিনি হলেন অনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। তার কারণে বেগম খালেদা জিয়া আজ চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারছেন না।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, খালেদা জিয়া হাইকোর্টের আদেশে জামিন পাননি। তিনি নির্বাচহী আদেশে জামিন পেয়েছেন। অতএব উনার স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সাংবিধানিক অধিকার আইনগত নির্বাহী প্রধান যিনি আছেন অর্থ্যাৎ প্রধানমন্ত্রী, উনার ওপর নির্ভর করে।
উল্লেখ্য, দু’মাসের ব্যবধানে আবারো হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া। ৯ আগস্ট সন্ধ্যায় নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গুলশানের বাসা থেকে খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য এবং কিছু উপসর্গ দেখা দেয়ায় মেডিক্যাল বোর্ডের সিদ্ধান্তে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এসব পরীক্ষার জন্য তাকে কয়েক দিন হাসপাতালে থাকতে হবে।