একটি গোয়েন্দা সংস্থা এ বিষয়ে অনুসন্ধান শেষে এক প্রতিবেদনে বলেছে, খুলনার এই কোচিং সেন্টার ভর্তি বাণিজ্যের মাধ্যমে ‘মেধাহীন’, ‘অযোগ্য’ ছাত্র-ছাত্রীদের মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ করে দিচ্ছে। এর মাধ্যমে জনপ্রতি ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা করে নিচ্ছে। এই ভর্তি বাণিজ্যের মাধ্যমে বছরে শত কোটি টাকার বেশি অবৈধ লেনদেন হচ্ছে।
ফলাফল বিবরণীর তথ্য অনুযায়ী, যারা থ্রি ডক্টরসে কোচিং করেছেন। তারা অনেকেই এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পায়নি। তবে ভর্তি পরীক্ষায় ৭৩ নম্বর পেয়েছেন তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, সম্প্রতি সিআইডি প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে সাতজন চিকিৎসক রয়েছে। ডা. তারিমও ওই চক্রের সাথে সম্পৃক্ত।
সূত্র : ইউএনবি