কাস্টমস বিভাগের গুদামের লকার থেকে সোনা গায়েব হওয়ার এ ঘটনা হয়তো এখনি জানা সম্ভব হতো না। যদিনা গুদামে অটোমেশনের কাজ শুরু হতো। ঢাকা কাস্টমস হাউজের কমিশনার একে এম নূরুল হুদা পত্রিকান্তরে জানিয়েছেন, আট দিন আগে গুদামটির অটোমেশনের কাজ শুরু হয়। কাজের অংশ হিসেবে গুদামে থাকা সোনা গণনার কাজ শুরু হয়। তাতেই জানা যায় ওই সোনা চুরির ঘটনা। তার মতে, চুরির ঘটনা আগেই ঘটেছে। গুদামের অটোমেশনের কাজ শুরু হওয়ায় সেটি ধরা পড়ে; তাই লকার ভাঙার নাটক তৈরি করা হয়েছে। বলা বাহুল্য, সোনা চোর যে, ধারে কাছেই আছে, তার একথা থেকে সেটা স্পষ্ট। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা দরকার, বিভাগ হিসাবে কাস্টমসের খুব একটা সুনাম নেই। এক শ্রেণীর কাস্টমস কর্মকর্তার আচরণ-ব্যবহার যেমন খারাপ, তেমনি তাদের সততা, নীতি-নৈতিকতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাদের দ্বারা সেবাপ্রার্থী মানুষ হয়রানিই শুধু নয়, জুলুমেরও শিকার হয়। সামগ্রিক অবস্থার এই প্রেক্ষাপটে কাস্টমস বিভাগের সমুদয় গুদাম অনুপুঙ্খ পরিদর্শন এবং নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। তাহলে জানা যাবে, আর কোথাও থেকে সংরক্ষিত সোনা বা অন্যান্য মূল্যবান দ্রব্য খোঁয়া গেছে কিনা। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে আমরা আশা করি।
সোনা চুরির ঘটনা উদ্বেগজনক লকার থেকে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস বিভাগের একটি গুদামের লকার থেকে ৫৫ কেজির বেশি সোনা চুরি হয়ে গেছে বলে পত্রপত্রিকায় যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তাকে উদ্বেগজনক ও ভয়াবহ বললেও কম বলা হয়। চুরি যাওয়া সোনার মূল্য ৪৭...