১৭ সেপ্টেম্বর সকালে কয়া ইউনিয়নের কারিগর পাড়া মধ্যেপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সিরাজুল ইসলাম মধ্যেপাড়া গ্রামের মৃত নঈম উদ্দিন মালিথার ছেলে।
নিহত সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী জাহানারা খাতুন জানান, তার স্বামী কয়া কামারপাড়া এলাকার নাসিরউদ্দিন ওরফে নছোর তিন ছেলে বিপ্লব, পিপলু ও নয়নের কাছ থেকে সুদে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা নেন। সময় মতো সুদ দিতে না পারায় শনিবার সুদে কারবারিরা তাদের বাড়ির জমি দখল করে সীমানা পিলার গাড়তে গেলে তিনি ও তার স্বামী বাধা দেন। এ সময় সুদে কারবারিরা তাদের দু'জনকে মারধর করে চলে যায়। ওই দিনই তিনি মেয়েকে শ্বশুর বাড়ি রাখতে যান এবং রোববার সকালে বাড়ি ফিরে এসে তার স্বামীকে ঘরের আড়ার সাথে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় দেখতে পান।
তিনি আরো জানান, বাড়িতে এসে দেখতে পান সুদে কারবারিরা তাদের বাড়ির জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছে। তিনি চিৎকার করে এলাকাবাসীকে ডাকলে সুদে কারবারিরা চলে যায়।
তিনি দাবি করেন, কেউ বাড়িতে না থাকার সুযোগে সুদে কারবারিরা তার স্বামীকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে।
নিহতের ভাই জানান, সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পারাই আমার ভাইয়ের বাড়ি দখল করে বিপ্লব, পিপলু ও নয়ন সকালে স্থাপনা নির্মান করছিল, আমার ভাই বাধা দিলে তাকে মারপিট করে।
তিনিও অভিযোগ করেন, এটা আত্ত্বহত্যা না, আমরা এই হত্যার বিচার চাই।
উল্লেখ্য, কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নে বেশ কিছু সুদের কারবারি রয়েছে। এদের তাণ্ডবে অনেকেই আজ সর্বশান্ত। সুদের কারবার বন্ধের দাবিও জানিয়েছে এলাকাবাসী।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকিবুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।