calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / সম্পাদকীয় / সুফল মিলছে না এখনো বিশ্বের সর্বোচ্চ ব্যয়বহুল এক্সপ্রেসওয়ে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সম্পাদকীয় বিশেষ প্রতিবেদন

সুফল মিলছে না এখনো বিশ্বের সর্বোচ্চ ব্যয়বহুল এক্সপ্রেসওয়ে

রাজধানীর অসহ্য যানজট নিরসনে অনেকগুলো উড়ালসড়ক, এক্সপ্রেসওয়েসহ বেশ কিছু মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার। তাতে যানজটের ভোগান্তি থেকে নগরবাসী রেহাই পেয়েছে, জোর দিয়ে বলা যাচ্ছে না। বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি...

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ • দুপুর ০২:৪১
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২০৩ বার পঠিত

সরাসরি যানবাহন পারাপার করার জন্য এক্সপ্রেসওয়ে। তাই এতে যাত্রী ওঠানামার ব্যবস্থা নেই। বিআরটিসির বাস চালু হলে সেগুলোকে বিরতিহীনভাবে চলাচল করতে হবে। এ কারণে যাত্রী না পাওয়ার আশঙ্কায় এক্সপ্রেসওয়েতে টোল দিয়ে বাস চালাতে চায় না কোনো বেসরকারি কোম্পানি। ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ একটি দৈনিককে স্পষ্ট করে বলেছেন, যাত্রীদের নিচে রেখে উপরে বাস চালিয়ে কী লাভ! বিআরটিসি যে বাস নামাচ্ছে, কয়টা যাত্রী পাবে?
সরকারি সংস্থার বাসের টোল দিয়ে বিনিয়োগকারীদের কতটা পোষাবে সময় বলে দেবে। তবে এ পরিষেবা সফল হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ তা অনুমান করা কঠিন নয়।

কিছু বিশেষজ্ঞ বলছেন, আংশিক উদ্বোধন করে পুরো সুফল পাওয়ার চিন্তা করা ঠিক নয়। এর সুফল আসবে যখন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের এ উড়ালসড়ক ঢাকা-আশুলিয়া উড়াল মহাসড়কে যুক্ত হবে।
প্রকল্পটির সুফল কতটা পাওয়া যাচ্ছে সেটি বিবেচনার আরেকটি দিক হলো যানজট। যানজটের কোনো সুরাহা করেনি। এটি চালুর আগে বনানীর আর্মি স্টেডিয়াম এলাকা থেকে একেবারে কাকলি পর্যন্ত যানজট থাকত। এক্সপ্রেসওয়ে চালুর পর সেই যানজট সরে এসেছে সেতু ভবন থেকে মহাখালী রেলগেট, বাসটার্মিনাল ও সাতরাস্তা এলাকায়। আগে সাতরাস্তা ব্যবহার করে যেসব গাড়ি চলত সেগুলো এখন মহাখালীর জ্যাম এড়াতে ফার্মগেট হয়ে চলাচল করছে। ফলে আগে থেকে জটপূর্ণ ফার্মগেট এলাকায় যানজট তীব্রতর হচ্ছে।
সাড়ে ১১ কিলোমিটার চালু করতে যেখানে ১২ বছর লেগেছে বাকি অংশ চালু করতে কত সময় লাগবে কেউ জানে না। কারণ, লাগামহীন ব্যয়ের কুফল অর্থনীতির ওপর এর মধ্যে পড়তে শুরু করেছে। সামনে আছে জাতীয় নির্বাচন। সরকারের পূর্ণ মনোযোগ থাকবে নির্বাচনের দিকে, উন্নয়ন প্রকল্পে নয়।