তিনি আরো বলেন, ‘অভিযুক্ত এ ঘটনার পর পালিয়েছেন। আমরা তাকে আটক করতে অভিযান চালাচ্ছি, পরে বিস্তারিত জানাব।’
নিহতের বোনের ছেলে হোসেইন বলেন, সন্ধ্যায় সমিতির লোনের কিস্তির টাকা দেয়া নিয়ে নানার সাথে খালার বাকবিতণ্ডা হয়। এরই জের ধরে রাত দেড়টার দিকে ঘরের দরজার শিকল খুলে ঘুমন্ত অবস্থায় মর্জিনা খালাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে বাড়ির মধ্যে একটি গর্তের মধ্যে ফেলে রাখে নানা।
তিনি বলেন, এ সময় খালার চিৎকারে তার মেয়ে রেকসোনা ছুটে আসলে তাকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে আমার নানা। পরে দু’জনকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক খালাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, মৃত অবস্থায় মর্জিনাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এছাড়া রেকসোনার দুই হাতে অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছে। ক্ষতস্থানে সেলাই দেয়া হয়েছে। তবে তিনি আশঙ্কামুক্ত।
সূত্র : ইউএনবি