আমাদের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে কথা হয়েছে। যেগুলোর মধ্যে দুদেশের সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সুসম্পর্ক, নারীর ক্ষমতায়ন সম্পর্কিত নানা ইস্যু ছিলো। পাশাপাশি গ্রহণযোগ্য, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ইস্যুতেও আমাদের কথা হয়েছে যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ইস্যুতে সরকারকে আহ্বান জানিয়েছি।
১৭ অক্টোবর বিকালে কক্সবাজারস্থ শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমে এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, আজকে আমরা শরনার্থী শিবিরগুলো ঘুরে দেখেছি। সেজন্য আমরা বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। ছোট ও জনবহুল দেশ হবার পরও বাংলাদেশের এমন আতিথেয়তা নিশ্চয়ই প্রশংসার দাবি রাখে। ২০১৭ থেকেই আমরা বাংলাদেশের পাশে আছি। এখন পর্যন্ত আমরা ২২০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ সহযোগিতা দিয়ে আসছি। এছাড়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এক করতেও আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
আফরিন আখতার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন চায়। একই সাথে যুক্তরাষ্ট্র সরকার রোহিঙ্গা সমস্যার টেকসই ও স্থায়ী সমাধানও চায়। কিন্তু মিয়ানমারে এখনো রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। মিয়ানমার সরকার সেখানে কোন মানবাধিকার গ্রুপকে প্রবেশ করতে দেয়না।