২১ অক্টোবর বিকেলে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় পূজামন্ডপ পরিদর্শনকালে বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সদস্য নির্মল কুমার চ্যাটার্জি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিক ও মহানগর সার্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি মনিন্দ্র কুমার রায় প্রমুখ।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘২০০১ সালে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নির্যাতিত হয়েছে। আমরা এর পুনরাবৃত্তি চাই না। আওয়ামী লীগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে সবসময়ই আছে। দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে মনিটরিং করছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্রিফ করেছেন। আগের অশুভ ঘটনাগুলো হিন্দু সম্প্রদায়কে কষ্ট দিয়েছে। এসব অপকর্মের পুনরাবৃত্তি চাই না।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে রাজনৈতিক অঙ্গন অস্থির, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক। আমাদের দেশে রাজনীতিতে যখন অবরোধ শব্দ শুনি, তখন জনগণ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এই অবরোধ কেমন তা জনগণ ২০১৪ সালে দেখেছে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ক্ষমতার পরিবর্তন চাইলে সেটি হতে হবে নির্বাচনের মাধ্যমে। আর নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। একটি দল তাদের কর্মীদের বলছে, মাত্র কয়েকটা দিন, আর অপেক্ষা নয়। তাদের হাক-ডাক শুরু হয়েছে। কর্মীদের মিথ্যা আশ্বাস দেয়া হচ্ছে। কর্মীরা যখন দেখবে, ২৮ অক্টোবরের পরিণতি ১০ ডিসেম্বরের মতো অশ্বডিম্ব হবে তখন কর্মীরাই নেতাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে।’
তিনি বলেন, ‘২৮ তারিখ আমাদেরও কর্মসূচি আছে। ওই দিন আমাদেরও মহাযাত্রা আছে। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের মহাযাত্রা শুরু হবে। বিকেলে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে জনতার ঢল নামবে।’