সমর্থকদের মতো বাস্তবতা মেনে নিয়েছে দল। সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্ন ছেড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। সাকিবও জানিয়েছেন এ কথা। দলের লক্ষ্য এখন কেবল চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) অন্যতম সেরা এই আসর খেলতে হলে সামনের ম্যাচগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের জন্য।
আইসিসির নতুন নিয়ম অনুযায়ী, স্বাগতিক পাকিস্তানের সাথে বিশ্বকাপের সেরা সাত দল অংশ নেবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে। তাই শঙ্কায় বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে ছয় ম্যাচ খেলে মাত্র এক জয় টাইগারদের। সাকিবরা আছেন পয়েন্ট টেবিলের ৯ নম্বরে। সেরা আটে থাকতে হলে বাকি তিন ম্যাচের দুটিতে জয় প্রয়োজন সাকিবদের।
নতুন এই সমীকরণ পূরণে বাংলাদেশের সামনে প্রথমেই পাকিস্তান। মঙ্গলবার বাবর আজমদের মুখোমুখি হবে টাইগাররা। বিশ্বকাপে নিজেদের সপ্তম ম্যাচে ভারতের ইডেন গার্ডেনে পাকিস্তানের মোকাবেলা করবে দল। যেখানে আসরের দ্বিতীয় জয়ের সন্ধানে থাকবে সাকিবরা।
জয়ের খুঁজে হন্যে পাকিস্তানও। সেমিফাইনাল স্বপ্ন এখনো বেঁচে থাকলেও পাড়ি দিতে হবে বহু পথ। কঠিন সমীকরণ দাঁড়িয়ে বাবরদের সামনে। জোড়া জয়ে আসর শুরু করলেও টানা চার হারে ধু্ঁকছে দলটি। যদিও আছে তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে। ফলে কঠিন চ্যালেঞ্জ লুকিয়ে আছে তাদের জন্যও।
তবে দু’দলের সাম্প্রতিক অবস্থা প্রায় একই। বাংলাদেশ তাদের শেষ পাঁচ ম্যাচেই হেরেছে, পাকিস্তান চার ম্যাচে। যদিও পাকিস্তানের সুযোগ আছে সেমিফাইনালের, বাংলাদেশের এখন কেবল লক্ষ্য চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। সোমবার সংবাদ সম্মেলনেও যা বার বার বলে গেলেন সাকিব আল হাসান।
সোমবার সাকিব বলেন, ‘অবশ্যই চ্যাম্পিয়ন্স ট্র্রফি একটা লক্ষ্য। কিন্তু কত ওপরে শেষ করা যায় সেটাও তো একটা লক্ষ্য। আমাদের জিততে হবে। যেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে পারি। এটাই এখন গুরুত্বপূর্ণ। এর জন্য যার যার জায়গা থেকে নিজেদের উজ্জীবিত করতে হবে। ফর্মে ফিরতে, ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিংয়ে ভালো করতে হবে।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের লক্ষ্য কী? এমন প্রশ্নের জবাবে সাকিব বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করব নিজেদের সেরাটা দেয়ার। আমরা আলোচনা করেছি এ নিয়ে, টিম মিটিং ছিল। আমরা কথা বলেছি কিভাবে এখনকার পরিস্থিতি থেকে বের হওয়া যায়। কিন্তু আমাদের এটা কাজে প্রমাণ করতে হবে। কথা বলে লাভ নেই, যদি কাজে না আসে। এটা আমাদের মাঠে করতে হবে যেন সবাই দেখতে পারে।’