প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করেন ওবায়দুল কাদের। সেখান থেকে বের হয়ে গণভবনের গেটে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের কমিটির নবনির্বাচিত নেতাদের নাম ঘোষণা করেন তিনি।
ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাজহারুল করিম, সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন তানভীর হাসান সৈকত। ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি হয়েছেন রিয়াজ মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সাগর আহমেদ। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হয়েছেন রাজীবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সজল কুণ্ডু।
ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই পদে জোরালো আলোচনায় ছিলেন সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। সাদ্দাম হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক। তিনি সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে এ পদে নির্বাচিত হন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এ মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। দলে সুবক্তা হিসেবে সাদ্দামের বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ছাত্রলীগের বিগত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি এর আগে ছাত্রলীগের গ্রন্থনা ও প্রকাশনাবিষয়ক উপসম্পাদক ছিলেন। তিনি বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। তাঁর বাবা প্রয়াত শেখ আব্দুর রব ১৯৭০-৭১ সালে বৃহত্তর বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।
এবারের সম্মেলনের আগে ২০১৭ সালে ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনের মধ্যে দিয়ে মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি ও গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তবে চাঁদাবাজিসহ একাধিক অভিযোগে ২০১৯ সালে তাঁদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর সংগঠনের সহসভাপতি আল নাহিয়ান জয় ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য যথাক্রমে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। তবে এই দুই নেতাকে ঘিরেও পদ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। গত ৬ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়