calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / সম্পাদকীয় / শীতকাল শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সম্পাদকীয় বিশেষ প্রতিবেদন

শীতকাল শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে

ঋতুচক্রের হিসাবে পৌষ-মাঘ শীতকাল। গত শনিবার ছিলো পৌষের প্রথম দিন। অতএব, ওইদিন থেকেই কাগজে-কলমে শীতকাল শুরু হয়েছে, যদিও গত প্রায় একমাস যাবৎ শীত শীত ভাব অনুভূত হয়েছে। পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার কিংবা চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ১০-১২...

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩ • বিকাল ০৪:১০
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৭৭ বার পঠিত

শীতে স্বাভাবিকভাবেই শিশু ও বৃদ্ধরা অধিক সমস্যায় পড়ে। তাদের শীত সহ্য করার ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম। ফলে অতি সহজেই ঠান্ডা, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদিতে আক্রান্ত হয়। এতে কষ্টের শেষ থাকে না, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। শীত মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় লেপ-তোষক, কম্বল-চাদর, গরম কাপড় এবং উপযুক্ত চিকিৎসাই তাদের রক্ষাকবচ। দরিদ্র, অসহায়, দিনমজুর, ছিন্নমূল মানুষ শীতে মারাত্মক বিপন্নতার শিকারে পরিণত হয়। তাদের আর্থিক অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে, বাইরে না বেরোলে কিংবা কিছু একটা না করলে চলে না। এসব মানুষের যেমন শীতবস্ত্র দরকার, তেমনি দরকার খানাখাদ্য। উচ্চবিত্তের কিছু মানুষ বাদে দেশের অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির। ইতোমধ্যে রেকর্ড মূল্যস্ফীতি এবং আয় কমে যাওয়ার কারণে ব্যাপক মাত্রায় শ্রেণিবদল ঘটেছে। অনেক দরিদ্র হতদরিদ্রে, নিম্নবিত্ত দরিদ্রে এবং মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্তে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থায় তাদের আর্থিক সামর্থ্যরে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তাদের বেশিরভাগের পক্ষে শীত মোকাবিলায় শীতবস্ত্রসহ ওষুধপত্র কেনা কঠিন। যাদের আয় নেই বা আয়ের কোনো নিশ্চয়তা নেই এবং যাদের আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি তাদের পক্ষে শীতবস্ত্র কেনা বা সংগ্রহ করা কীভাবে সম্ভব? খাদ্য আগে, না শীতবস্ত্র আগে? অবশ্যই খাদ্য আগে। শীতবস্ত্রেরও প্রয়োজন কম নয়। যাদের খাদ্য ও শীতবস্ত্র দুই-ই দরকার তাদের দুটিই দিতে হবে। সরকার দরিদ্র, অসহায় ও শীতার্ত মানুষের জন্য বিনামূল্যে বা স্বল্পমূলে খাদ্যপণ্য দেয়ার ব্যবস্থা করতে পারে। প্রতিবছর সরকারি তরফে শীতবস্ত্র বিতরণের একটা কর্মসূচি দেখা যায়। প্রয়োজনের তুলনায় কম হলেও এর গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। তবে অনেক ক্ষেত্রে কর্মসূচির বাস্তবায়ন বিলম্বিত হতে দেখা যায়। এবার এ কর্মসূচি মওসুমের শুরুতেই নেয়া হলে মানুষ আগেই তার উপকারভোগী হতে পারবে। ক্ষমতা ও নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত থাকলেই হবে না, জনকল্যাণেও সরকারকে যথাসময়ে যথোচিত কর্তব্যকর্ম সম্পাদন করতে হবে।

tag ট্যাগ: #111