ঘরের মাঠে ও নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে টানা দুই শূন্যর পর সেঞ্চুরির দেখা পান সৌম্য। এদিন খেলেন ১৫১ বলে ১৭৬ রানের ইনিংস। যা বাংলদেশিদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ, আর নিউ জিলান্ডের মাটিতে এশিয়ার কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ রান। ভেঙেছেন শচীন টেন্ডুলকারের ১৬৩ রানের ইনিংসের রেকর্ড।
‘সে (সৌম্য) যেভাবে পারফর্ম করেছি তাতে আমি খুশি। আমি জানতাম সে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয়ার মতো ইনিংস খেলার সামর্থ্য রাখে। আমি যখন এখানে ছিলাম তখন সে এটা করে দেখিয়েছে।’
‘আমরা সবাই বলি ক্লাস ইজ পারমানেন্ট, ফর্ম অনেক কিছুর কারণেই প্রভাবিত হয়। বিশেষ করে আপনার মাথায় কি চলছে। আপনার মাথা যদি পরিষ্কার থাকে, আপনি যদি আপনার ভূমিকা বুঝতে পারেন, পরিবেশের সঙ্গে কমফোর্টেবল থাকলে প্রত্যেক খেলোয়াড়ই তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারে’-আরও যোগ করেন হাথুরুসিংহে।
সৌম্য সবশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেন গত বছর, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। এরপর আর সুযোগ পাননি। এবার আবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলের পরিলল্পনায় আছেন এই অলরাউন্ডার। এবার দেখার পালা, সৌম্য এই সংস্করণে নিজেকে কতটুকু প্রমাণ করতে পারেন।