এদিকে ঘটনার পর ধানমন্ডি শাখা বন্ধ থাকলেও চালু রয়েছে রাজধানীতে প্রতিষ্ঠানটির অন্য ছয়টি শাখা। গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে মামলায় প্রতিষ্ঠানের তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর পার্লারের মালিক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাসলিমা চৌধুরী কণা আলম এবং তাঁর মেয়ে পরিচালক ফারনাজ আলমকে খুঁজছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই শাখায় সাধারণত প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ জন সেবা নিতে গেলেও বন্ধের দিনগুলোতে এ সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যেত। দিনে ১৫ জনের হিসাবে ছয় মাসে অন্তত ২ হাজার ৭০০ নারীর স্পর্শকাতর ভিডিও ধারণ করা হয়েছে।