সোমবার বিকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে সাংবাদিকরা এ বিষয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের কাছে জানতে চান।
তখন তিনি বলেন, ভাটারা থানায় চলতি বছরের আগস্ট মাসে এক ট্রাভেল ব্যবসায়ী ভুক্তভোগী হিসাবে একটি মামলা করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিচয় দিয়ে ফোন করে ধরে নিয়ে টাকা-পয়সা আদায় শেষে ফেলে যাওয়ার।
ডিবি প্রধান বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এমন বেশ কিছু অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের (উত্তর) তদন্তের নামে। তদন্তের পর্যায়ে বরিশাল থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতের তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে অপহরণ ও টাকা আদায়ের কথা স্বীকার করে।
এই সময়ে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, চক্রে একজন পরিদর্শক ও আরেকজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) পদের দুই পুলিশ সদস্য জড়িত রয়েছে। যদিও পরে জানা যায়, যিনি নিজেকে পরিদর্শক রবিউল পরিচয় দিয়েছেন তিনি আসলে একজন এসআই। তারা নিজেদের ভুয়া নাম-পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে টাকা-পয়সা আদায় করে থাকে।
তিনি বলেন, পরবর্তীতে দুজনের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়ায় অপহরণ ও ব্যাংক থেকে টাকা তোলার সিসিটিভি ফুটেজ, কল লিস্ট এবং লোকেশন ট্রাকিং করে নিশ্চিত হওয়ার পর সিআইডির দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।
ডিবি প্রধান আরও বলেন, আমরা তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করব। তাদের কাছ থেকে জানার চেষ্টা করা হবে আর কেউ জাড়িত আছে কি না, অথবা বর্তমান ও সাবেক কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত আছে কি না।
এদিকে, ডিবির ওয়ারী বিভাগের ডিসি আ. আহাদের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে ডিবি প্রধান বলেন, এক ব্যক্তির অভিযোগ পেয়ে জয়েন কমিশনার নর্থকে প্রধান করে দুই সদস্যে কমিটি করা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পরই বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান ডিবি প্রধান।