calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / অর্থনীতি / বৈদেশিক ঋণের সুদ হার কমবে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অর্থনীতি বিশেষ প্রতিবেদন

বৈদেশিক ঋণের সুদ হার কমবে

বৈদেশিক ঋণের সুদ হার কমবে নতুন বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি সুখবর মিলেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বৈদেশিক ঋণের সুদ হার কমবে। বৈশ্বিকভাবে মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় অর্থনীতির দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতি সুদ...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারি ২০২৪ • বিকাল ০৫:১১
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১২৯ বার পঠিত

এদিকে মার্কিন মুদ্রা বাজারে চালু হওয়া সিকিউরড ওভারনাইট ফাইন্যান্সিং রেটের (সোফর) মাধ্যমেও কিছু ঋণ নেওয়া হচ্ছে। এর হারও কমতে শুরু করেছে। আগে এ হার ছিল ৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। এখন তা কমে ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ হয়েছে।


এদিকে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেমস  (ফেড) জানিয়েছে মূল্যস্ফীতির হার নতুন করে আর না বাড়লে তারা নীতি সুদ হার আর বাড়াবে না। ইউরোপেও এ হার কমতে শুরু করেছে। ফলে চলতি বছরে বৈশ্বিকভাবে ঋণের সুদ হার কমবে বলে আভাস দিয়েছে আইএমএফ। তাদের মতে চলতি বছরের শেষ দিকে করোনা মহামারির আগের পর্যায়ে চলে যাবে বৈশ্বিক ঋণের সুদ হার। 


করোনার আগে লাইবর রেট ছিল ২ শতাংশ। সংস্থাটি বলেছে, চলতি বছরে বৈশ্বিক ঋণ সংকটও কিছুটা কমবে। ফলে ঋণের প্রবাহ বাড়বে।


বর্তমানে লাইবর রেটের সঙ্গে ২ থেকে ৪ শতাংশ যোগ করে সুদ হার নির্ধারিত হচ্ছে। এ হিসাবে সুদ হার দাঁড়াচ্ছে ৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ থেকে ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশে। যা অনেক বেশি। সুদ হার করোনা মহামারির আগের পর্যায়ে নেমে এলে বৈদেশিক ঋণের সুদ হার কমে দাড়াবে ৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ থেকে ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশে।


এদিকে বাংলাদেশ যে বৈদেশিক ঋণ নিচ্ছে তার প্রায় ৭০ শতাংশের সুদ হার বাজারভিত্তিক। অর্থাৎ যখন যে সুদ হার থাকবে, তা পরিশোধ করতে হবে। এ কারণে বর্তমানে বেশি সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে। ২০২২ সালে বাংলাদেশকে ঋণের সুদ বাবদ পরিশোধ করতে হয়েছে ১০৪ কোটি ডলার। গত বছরে আরও বেশি পরিশোধ করতে হয়েছে। কারণ ওই বছরে সুদ হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠেছিল।


দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের স্থিতি গত জুনে ছিল ৯ হাজার ৮১১ কোটি ডলার। গত সেপ্টেম্বরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৬৫৫ কোটি ডলারে। আলোচ্য তিন মাসে ঋণের স্থিতি কমেছে ১৫৬ কোটি ডলার। তবে গত বছরের জানুয়ারির তুলনায় স্থিতি বেড়েছে। গত বছরের জানুয়ারিতে স্থিতি ছিল ৯ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।


ঋণের মধ্যে আমদানির বিপরীতে নেওয়া বায়ার্স ক্রেডিটের পরিমাণ গত অক্টোবরে দাঁড়িয়েছে ৬৫৫ কোটি ডলার। আমদানির বিপরীতে স্থগিত বকেয়া ৮৬ কোটি ডলার ও বৈদেশিক ব্যাক টু ব্যাক এলসির দায় ৯৫ কোটি ডলার।