calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / সম্পাদকীয় / উচ্চমাত্রার সতর্কতা বজায় রাখা প্রয়োজন করোনার নতুন ধরন:
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সম্পাদকীয় বিশেষ প্রতিবেদন

উচ্চমাত্রার সতর্কতা বজায় রাখা প্রয়োজন করোনার নতুন ধরন:

দুঃসহ স্মৃতিগুলো মানুষের মন থেকে মুছে না যেতেই বছর শেষে আবারও দরজায় কড়া নাড়ছে করোনা। ভাইরাসটি এবার আবির্ভূত হয়েছে আরও শক্তিশালী হয়ে, দোর্দণ্ডপ্রতাপশালী রূপে। ওমিক্রনের নতুন ধরন ‘বিএফ.৭’ নাকি আগেরটির চেয়ে চারগুণ বেশি...

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২২ • দুপুর ০১:২৯
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৫ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১০৮ বার পঠিত

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়েছিল। এরপর সংক্রমণ বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ২৬ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিল সরকার। ওই সময় দেশে টানা ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি ছিল। সেসময় সব অফিস-আদালত, কলকারখানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে সারা দেশে সব ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। পরের বছরের শুরুতে অবশ্য দেশে করোনা সংক্রমণের হার অনেকটাই কমে এসেছিল। পাশাপাশি শুরু হয়েছিল করোনার গণটিকাদান কর্মসূচি। একপর্যায়ে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে দেশে দৈনিক করোনা শনাক্তের হার তিন শতাংশেরও নিচে নেমে এসেছিল। তবে ফেব্রুয়ারির শেষদিকে দ্রুতগতিতে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করায় ঘনবসতি, স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে অসচেতনতা, ভারসাম্যহীন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা প্রভৃতি বিবেচনায় নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। তবে একপর্যায়ে দেশে করোনাজনিত মৃত্যুর হার শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় মানুষের মধ্যে একধরনের স্বস্তির ভাব পরিলক্ষিত হচ্ছিল। ইত্যবসরে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ার পর দৃশ্যপট আবারও পালটে গিয়েছিল।

এবার ওমিক্রনের নতুন ধরন বিএফ.৭ নতুন শক্তিতে বলীয়ান হয়ে আঘাত হানতে উদ্যত হয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এ অবস্থায় উচ্চমাত্রার সতর্কতা বজায় রাখার পাশাপাশি সবাইকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। দুশ্চিন্তার বিষয় হলো, এর আগে দেশে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় একধরনের সমন্বয়হীনতা প্রকট হয়ে উঠেছিল। এবার অন্তত তেমনটি হবে না বলে আমরা আশাবাদী। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেসব এনজাইম আছে, তা স্বাভাবিকের চেয়ে কম তাপমাত্রায় কম কার্যকর হয়ে পড়ে। এ কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। শীতে বাতাসের তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে আর্দ্রতাও কমে যায়, যা আমাদের শ্বাসনালির স্বাভাবিক কর্মপ্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করে ভাইরাসের আক্রমণ সহজ করে তোলে। কাজেই এই শীতকালে বিএফ.৭ ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে হলে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার ব্যাপারে কোনোরকম হেলাফেলা করা উচিত নয়। মনে রাখতে হবে, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আসার ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো দেশই সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিতে পারেনি। এ পরিস্থিতিতে চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও আমাদের টিকে থাকার প্রয়াস চালাতে হবে এবং বাস্তব অবস্থার নিরিখে নতুন কৌশল নিয়ে নতুন ছন্দে জীবন সাজানোর দৃঢ়তায় অগ্রসর হতে হবে।

tag ট্যাগ: #2222