এসপি আনোয়ার হোসেন জানান, তিনি প্রতিদিন স্টেশনে ডিউটিতে এসেই নিজের বুকিং আইডি দিয়ে অনলাইন থেকে বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেনের টিকিট কেটে রাখতেন। এর পর ডিউটি শেষে কেটে রাখা টিকিটগুলো কালোবাজারি চক্রের কাছে পৌছে দিয়ে লভ্যাংশসহ টাকা বুঝে নিতেন।
তিনি জানান, এসব টিকিট কালোবাজারি ও দালালদের সরবরাহ করতেন। নুর আলম নিজের আইডি ছাড়াও অজ্ঞাত নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর দিয়েও টিকিটে রাখতেন। নিজেদের মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলতেন। এছাড়া গভীর রাতে কাওলা হাজী ক্যাম্পের সামনে টিকিট ও অর্থের লেনদেন করতেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।
ইতোপূর্বে র্যাব কর্তৃক গ্রেপ্তারকৃত টিকিট কালোবাজারি চক্রকে নুর আলম নিয়মিত ট্রেনের কালোবাজারির টিকিট সরবরাহ করতেন বলে স্বীকার করেছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।