ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রশিক্ষণের টিম লিডার সহকারী কমিশনার ডিবি পশ্চিম, সিএমপি মো: তারেক আজিজ ও কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ পারভেজ আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি টিম বার্ষিক ফায়ার প্রশিক্ষণের জন্য আজ সকালে বেতবুনিয়া পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং সেন্টারে আসেন। তারা যথানিয়মে ফায়ারিং প্রশিক্ষণও শুরু করেন। চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনসের নারী কনস্টেবল নারগিছ আক্তার (৬১৫১) ফায়ারিং শুরু করলে হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে গেলে তার হাতে থাকা অস্ত্রও ঘুরে যায়। এতে তার হাতে থাকা অস্ত্রের গুলিতে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানার নারী কনস্টেবল মিনু আরা, (৪৭০৮) বাকলিয়া থানার কনস্টেবল অভি বড়ুয়া (৫১২৬) ও সুমন (৪৪৯৩) গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গীয় ফোর্স তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পারভেজ আলী আরো জানান, গুলিবিদ্ধ মিনু আরা পাহাড়তলি থানায় এবং সুমন ও অভি বড়ুয়া বাকলিয়া থানায় কর্মরত আছেন।
বেতবুনিয়া পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং স্কুলে (পিএসটিএস) ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) -এর পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম জানান, আহতদের চট্টগ্রামে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। মিনু আরার কাঁধে, সুমন খান বা পায়ে ও অভি বড়ুয়া ডান হাতে আঘাত পান। তবে সবাই সুস্থ আছেন।
তিনি আরো জানান, প্রশিক্ষণে এমন ঘটনা ঘটে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নাই।