শনিবার রাজধানীর মিরপুরে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ড. ইউনূস বলেন, তার আটটি প্রতিষ্ঠান জবরদখল করেছে গ্রামীণ ব্যাংক। এমন অভিযোগের জবাব দিতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
একেএম সাইফুল মজিদ বলেন, ড. ইউনূস আটটি প্রতিষ্ঠান জবরদখল করলেও প্রকৃত সংখ্যা ৭টি। তা হলো- গ্রামীণ কল্যাণ, গ্রামীণ টেলিকম, গ্রামীণ ফান্ড, গ্রামীণ মৎস্য ফাউন্ডেশন, গ্রামীণ উদ্যোগ, গ্রামীণ সামগ্রী ও গ্রামীণ শক্তি। এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক মূলত গ্রামীণ ব্যাংক। গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে সরকারের প্রচলিত আইন অনুযায়ী এসব করা হয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংকের টাকায় করা হয়েছে। এর মালিক গ্রামীণ ব্যাংকের ১ কোটি ৫ লাখ গ্রাহক। ড. ইউনূস একটি টাকাও দেননি। তার কোনো কাগজপত্র নেই। আমরা সরকারের বিভিন্ন দপ্তর থেকে সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করেছি। কোথাও ড. ইউনূসের মালিকানার কথা উল্লেখ নেই। দেরিতে হলেও এসব প্রতিষ্ঠানে পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কোনো জবর দখল করা হয়নি। এসব প্রতিষ্ঠানের কিছু প্রমাণ ও কাগজপত্র পাওয়া যাচ্ছে না। তা উদ্ধারে চেষ্টা চলমান রয়েছে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে তথ্য-প্রমাণ উদ্ধার করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর মোহাম্মদ, গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালক মোহাম্মদ জুবায়েদ, আইন উপদেষ্টা মাসুদ আক্তারসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।