calendar_today মঙ্গলবার, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ • ২০ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / খেলাধুলা / হৃদয়ের আক্ষেপ হৃদয় জুড়িয়েও !
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
খেলাধুলা বিশেষ প্রতিবেদন

হৃদয়ের আক্ষেপ হৃদয় জুড়িয়েও !

বেদনার হারে সিরিজে সমতা

person
স্টাফ রিপোর্টার verified
Junior Reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ১৬ মার্চ ২০২৪ • দুপুর ০২:১৭
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৯ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৮২ বার পঠিত

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে একটি বলের আক্ষেপ করতেই পারেন তাওহিদ হৃদয়। ইনিংসের শেষ বলেও হাঁকালেন ছক্কা। কিন্তু মাত্র ৪ রানের জন্য চোখ ধাঁধানো সেঞ্চুরিটা পেলেন না তিনি। সমর্থকদের হৃদয় জুড়িয়েও আক্ষেপ থেকেই গেল হৃদয়ের! তবে ১০২ বলে তার ৩ বাউন্ডারি ও ৫ ছক্কায় হার না মানা ৯৬ রানের ইনিংসে ভর করেই নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৮৬ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় বাংলাদেশ। যদিও ৪৭ ওভারের খেলা শেষে বাংলাদেশের রান ছিল ৭ উইকেটে ২৪৭। এরপর শেষ তিন ওভারে ঝড় তুললেন হৃদয় ও তাসকিন আহমেদ। তাদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শেষ তিন ওভারে ৪৪ রান তোলে টাইগাররা। তবে সবকিছু বৃথা যায় স্বাগতিকদের। জয়ের জন্য ২৮৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ও মিডল অর্ডার ব্যাটার চারিথ আসালাঙ্কার তা-বে ১৭ বল হাতে রেখেই ৩ উইকেটের জয় পেয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতা আনে শ্রীলঙ্কা।
গতকাল চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে লঙ্কানদের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে প্রথম ওয়ানডের মতোই টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। এদিনও প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে ওপেনার লিটন দাস শূন্য রানে আউট হন। গোল্ডেন ডাক দিয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করা এই ওপেনার দ্বিতীয় ম্যাচেও হলেন চরম ব্যর্থ। এবার ৩ বল খেলে পেসার দিলশান মাদুশঙ্কার করা প্রথম ওভারে স্কয়ার লেগে সহজ ক্যাচ তুলে দেন লিটন। সেখান থেকে নাজমুল হোসেন শান্ত আর সৌম্য সরকারের ৭২ বলে ৭৫ রানের জুটি। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান শান্ত এদিনও বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই খেলছিলেন। কিন্তু ১২.২ ওভারে মাদুশঙ্কার দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ফিরতে হয় তাকে। ৩৯ বলে ৬ বাউন্ডারিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক করেন ৪০ রান। আগের ম্যাচে ব্যর্থ সৌম্য এদিন দেখেশুনে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন। তাতে এই ওপেনার ঢুকে পড়েন ওয়ানডের দুই হাজারি ক্লাবে। কিন্তু ২২তম ওভারে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার জোড়া আঘাতে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। হঠাৎ ২২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে রিভার্স সুইপ হাঁকাতে গিয়ে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে মাদুশঙ্কার হাতে ধরা পড়েন সৌম্য। ৬৬ বলে তার ৬৮ রানের ইনিংসটি ১১টি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো। এক বল পরই দলকে বিপদে ফেলে আউট হন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (০)। দলীয় ১৩০ রানে অভিজ্ঞ এই ব্যাটার নিজের মোকাবেলা করা দ্বিতীয় বলে ডাউন দ্য উইকেটে হাঁকাতে গিয়ে পড়েন স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে।
৩ বলের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশের আরেকবার হাল ধরার চেষ্টা করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু সেট হয়ে ৩১.১ ওভারে দলীয় ১৭৩ রানে আউট হয়ে যান অভিজ্ঞ এই ব্যাটারও। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে সুইপ খেলতে গিয়ে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন মুশফিক। ফেরার আগে ২৮ বলে ৩ চারের মারে করেন ২৫ রান। এর পর মেহেদি হাসান মিরাজ (১৮ বলে ১২) ও তানজিম সাকিব (৩৩ বলে ১৮) কিছু সময় সঙ্গ দেন হৃদয়কে। শেষদিকে তাসকিনকে নিয়ে ২৩ বলে অপরাজিত ৫০ রানের জুটি গড়েন হৃদয়। শেষ পর্যন্ত ১০ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন তাসকিন। শ্রীলঙ্কার হয়ে ৪৫ রান খরচায় ৪ উইকেট শিকার করেন স্পিনার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। দিলশান মাদুশঙ্কা ৩০ রানে নেন ২ উইকেট।
চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়লেও ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ও মিডল অর্ডার ব্যাটার চারিথ আসালাঙ্কার মারকুটে ব্যাটিংয়ে নিজেদের গুছিয়ে নেয় শ্রীলঙ্কা। মাত্র ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারালেও এই দু’জনের ব্যাটে ভর করে জয়ের আশা জাগিয়ে তোলে লঙ্কানরা। এ দুই ব্যাটার রীতিমতো তুলোধুনো করেন বাংলাদেশের বোলারদের। চতুর্থ উইকেটে ১৮৩ বলে ১৮৫ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে রাখেন নিশাঙ্কা-আসালাঙ্কা। এই জুটিতে নিশাঙ্কা করেন ৯৪ বলে ৯১ ও আসালাঙ্কার ছিল ৮৯ বলে ৮৮ রান। শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি করেই থামেন নিশাঙ্কা। ৩৬.৪ ওভারে দলীয় ২২৮ রানে আউট হন তিনি। মিরাজের বলে লিটন দাসকে ক্যাচ দেয়ার আগে তিনি ১১৩ বলে করেন ১১৪ রান। নিশাঙ্কার ইনিংসে ১৩ চার ও ৩টি ছয়ের মার ছিল। দুর্ভাগ্য চারিথ আসালাঙ্কার। সেঞ্চুরির কাছে গিয়েও ৯ রান আগে থামতে হয় তাকে। ৩৮তম ওভারের শেষ বলে তাসকিনের শিকার হয়ে ফেরেন আসালাঙ্কা। মুশফিককে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে তিনি ৯৩ বলে ৬ চার ও ৪ ছয়ের মারে করেন ৯১ রান। এরপর জানিথ লিয়ানাগে ১৬ বলে ৯ এবং ওয়ানিন্দু হাসরাঙ্গা ১৬ বলে ১ চার, ২ ছক্কায় ২৫ রান করে ফিরলেও দুনিথ ওয়েলালাগে ও প্রমোদ মধুশান দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন। ওয়েলালাগে ২৬ বলে ১৫ ও মধুশান ১ বল খেলে শূন্য রানে অপরাজিত থাকেন। এতে ৪৭.১ ওভারে ৭ উইকেটে ২৮৭ রান করে দারুণ জয় তুলে নেয় শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ দু’জনেই ৪৯ রান খরচায় পান ২টি করে উইকেট। এর মাঝে বাংরাদেশের সপ্তম বোলার হিসেবে ওয়ানডেতে উইকেটের সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তাসকিন। তবে তাদের ম্লান করে ম্যাচ সেরা হন লঙকান জয়ের নায়ক নিশাঙ্কা।

tag ট্যাগ: #111