calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / অর্থনীতি / নন ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জাল-জালিয়াতির প্রভাব: গ্রাহক কমছে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অর্থনীতি বিশেষ প্রতিবেদন

নন ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জাল-জালিয়াতির প্রভাব: গ্রাহক কমছে

নন ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোতে জাল-জালিয়াতির নেতিবাচক প্রভাব এখনও অব্যাহত রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে সব শ্রেণির গ্রাহক সংখ্যা কমে যাচ্ছে। গত এক বছরের ব্যবধানে আমানতধারীর হিসাব কমেছে ১৭ দশমিক ৪৩...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪ • সকাল ১১:৩৪
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২২৬ বার পঠিত

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে মোট আমানত হিসাব ছিল ৫ লাখ ২২ হাজার। গত বছরের ডিসেম্বরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৩১ হাজারে। গত এক বছরের ব্যবধানে আমানতের হিসাব কমেছে ৯১ হাজার বা ১৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে ব্যক্তি আমানতের হিসাব। তবে বড়েছে উদ্যোক্তা আমানতের হিসাব। তারা একই প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নেওয়ার বিপরীতে আমানত রাখে বলে এ হিসাব বেড়েছে।

২০২২ সালের ডিসেম্বরে ঋণ বা বিনিয়োগ হিসাব ছিল ২ লাখ ২৫ হাজার ৩৯২টি। গত বছরের ডিসেম্বরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৭০৫টিতে। এক বছরের ব্যবধানে ঋণ হিসাব কমেছে ৫ হাজার ৬৮৭টি বা ২ দশমিক ৫২ শতাংশ।

সূত্র জানায়, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে গ্রাহক কমে যাওয়ার কারণে সংকট বাড়ছে। আমানত আগে কমছিল। এখন বাড়তে শুরু করেছে। তবে বৃদ্ধির হার খুবই কম। একই সঙ্গে নতুন ঋণ বিতরণ খুবই কম। আগের সুদ যোগ হয়ে ঋণ বেড়েছে খুবই সামান্য।

প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আমানত ছিল ৪৩ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা। গত বছরের ডিসেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা। এক বছরে আমানত বেড়েছে ১০৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা। বৃদ্ধির হার দশমিক ২৪ শতাংশ।

২০২২ সালের ডিসেম্বরে বিনিয়োগ ছিল ৭০ হাজার ৩২২ কোটি টাকা। গত বছরের ডিসেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৭৫৯ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে ঋণ বেড়েছে ৪২০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বা বৃদ্ধির হার দশমিক ৫৭ শতাংশ। আগে আমানত ও ঋণ দুটোই আরও অনেক বেশি হারে বাড়ত। কোনো বছর তা ডাবল ডিজিটের উপরে থাকত।

আলোচ্য সময়ের ব্যবধানে বেসরকারি খাতের আমানত বাড়লেও সরকারি খাতের আমানত কমেছে। বিশেষ করে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আমানত জমা না রাখায় সরকারি আমানত কমেছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সরকারি আমানত ছিল ৪৯ কোটি টাকা। গত বছরের ডিসেম্বরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪২ কোটি টাকায়। আলোচ্য সময়ে আমানত কমেছে ৭ কোটি টাকা।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট আমানতের সাড়ে ৯২ শতাংশই ঢাকাকেন্দ্রিক। চট্টগ্রামকেন্দ্রিক মাত্র সাড়ে ৪ শতাংশ। বাকি ৩ শতাংশ অন্যান্য অঞ্চলে।

tag ট্যাগ: #1111