এই সময়ে তার সঙ্গে দলের সহ অর্ধনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন ও মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, ছাত্র দলের সাবেক নেতা তৌহিদুর রহমান আউয়াল, মহিলা দলের রেহানা সুলতানা আরজু, পান্না ইয়াসমীন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
রিজভী বলেন, ‘‘ আগামীকাল ১৫০ টি উপজেলায় আবারো প্রহসনের জালিয়াতির ডামি নির্বাচন করছে সরকার যে নির্বাচনে জনগন ভোট দিতে যায় না, যে নির্বাচনে ভোটারদের কোনো অধিকার নেই যেটি আবারো করতে যাচ্ছে ডামি সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।”
‘‘ এর কারণ কি? কারণ একটিই। উপজেলা নির্বাচনে, সংসদ নির্বাচনে তাদের দলের লোকেরা কোটি কোটি টাকা লুটপাট করতে পারে। একেজন উপজেলা চেয়ারম্যান এক‘শ বিঘার জমি-জমা করেছেন খবরে কাগজে এসেছে, আবার অনেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা সম্পত্তি করেছে। এই কারণে জনগণকে বাদ দিয়ে বিরোধী দলের অংশগ্রহনকে বাদ দিয়ে আবারো ডামি নির্বাচন তারা করতে যাচ্ছে।”
তিনি বলেন, ‘‘ আমরা দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই, জনগণ এই ডামি উপজেলা নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবে না, গণতন্ত্রকামী কোনো রাজনৈতিক এই নির্বাচনে অংশগ্রহন করছে না। ”
‘‘ আমরা বিশ্বাস করি, আগামীকালসহ চার দফায় যে উপজেলা নির্বাচন হবে সেই নির্বাচন জনগণ বর্জন করবে। যেভাবে ৭ জানুয়ারির ডামি নির্বাচন তারা বর্জন করেছে ঠিক একইভাবে এই উপজেলা নির্বাচনও বাংলাদেশের মানুষ বর্জন করবে। কারণ জনগণের ভোটের অধিকার যারা কেড়ে নিয়েছে তাদের কোনো ভোট ভোট নয়, এটি ডামি ভোট, প্রহসনের ভোট…. এই ভোটে জনগণ অংশগ্রহন করবে না, আপনারাও কেউ অংশ নেবেন না। উপজেলা নির্বাচনকে না বলুন, উপজেলা নির্বাচন বর্জন করুন।”