calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / সম্পাদকীয় / সিন্ডিকেট দমন ও নিত্যপণ্যের অসহনীয় দাম: কার্যকর বাজার তদারকি জরুরি
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সম্পাদকীয় বিশেষ প্রতিবেদন

সিন্ডিকেট দমন ও নিত্যপণ্যের অসহনীয় দাম: কার্যকর বাজার তদারকি জরুরি

বাজারে নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্নবিত্ত তো বটেই, মধ্যবিত্ত শ্রেণিরও নাভিশ্বাস উঠছে। পরিতাপের বিষয়, যেসব পণ্যের উৎপাদন ও মজুত পর্যাপ্ত রয়েছে, খোঁড়া যুক্তি দেখিয়ে সেগুলোরও দাম আকাশচুম্বি করেছেন বিক্রেতারা।...

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ১৮ মে ২০২৪ • সকাল ১১:৫০
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৪৪৩ বার পঠিত

বলার অপেক্ষা রাখে না, তদারকির অভাবেই তেল, চিনি, আটা-ময়দা, ডিমের মতো নিত্যপণ্যের দামের এমন অবস্থা। বাজারে অধিকাংশ নিত্যপণ্যেরই যে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, সে তথ্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। আদতে কতিপয় ব্যবসায়ীর অবৈধ মজুত কৌশলের কারণে ভুগতে হচ্ছে ভোক্তাকে। নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে যারা কারসাজি করছেন, এমন অসাধু মজুতদারদের চিহ্নিত ও শাস্তির আওতায় আনাই হবে বাজার নিয়ন্ত্রণের কার্যকর পথ। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অবশ্য বলছে, পণ্যের দাম সহনীয় করতে তদারকি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি কুরবানির ঈদ ঘিরে তা আরও জোরদার করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এর কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। যেমন, ডলারের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে কুরবানির ঈদ ঘিরে সব ধরনের মসলার দাম বেশ কিছুদিন ধরেই বাড়ানো হচ্ছে।

অপ্রিয় হলেও সত্য, বাজারে কোনো বিধিবদ্ধ নিয়মই কাজ করছে না এখন; বাজার চলছে মূলত কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের মর্জিমাফিক। বস্তুত সরকারের বেঁধে দেওয়া পণ্যমূল্যের কোনো তালিকার তোয়াক্কা না করেই বিক্রেতারা খেয়ালখুশিমতো দাম রাখছেন। কোনো কোনো পাইকারি ও খুচরা কাঁচাবাজারে তো মূল্য-তালিকাই খুঁজে পাওয়া যায় না। নিত্যপণ্যের মূল্য-তালিকা নিয়ে এমন হযবরল অবস্থা বিরাজ করলে অসাধু ব্যবসায়ীরা এর সুযোগ নেবে, এটাই স্বাভাবিক।

পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ আয় অনুযায়ী সংসারের সব চাহিদা বাদ দিয়ে শুধু খাদ্যের জন্য বাজেট নির্ধারণ করেও সামাল দিতে পারছেন না। নিত্যপণ্যের ক্ষেত্রে এ দুর্ভোগ অব্যাহত থাকলে এর অনিবার্য পরিণতি হিসাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ পুষ্টিহীনতার শিকার হবে। আমরা মনে করি, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমনভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে যাতে ভোক্তারা সরাসরি এর সুফল পায়। বাজার তদারকি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সিন্ডিকেটের সদস্যদের যোগসাজশের বিষয়টি বহুল আলোচিত। বিষয়টি খতিয়ে দেখে কোনো অনিয়ম পেলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে মনে করি আমরা।

tag ট্যাগ: #1111