তবে শুধু কি মেয়াদোর্ত্তীণ বলে এই কমিটিগুলো বাতিল হয়েছে? মহানগরের সাধারণ নেতাকর্মীরা দায় দিচ্ছেন, বিগত কমিটির দায়িত্বশীল নেতাদের ব্যর্থতাকে। আর কেন্দ্রীয় নেতারা ব্যর্থতা মেনে নিলেও বলছেন কমিটি বিলুপ্তির বিষয়টি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
বিষয়টি নিয়ে বিএনপির অনেক কর্মীরা জানান, ব্যর্থতার কারণেই কমিটি ভেঙে দিয়েছে। নতুন যারা দায়িত্বে এসেছেন তারা দলকে আরও শক্তিশালী করবে এটিই প্রত্যাশা তাদের। অনেকেরই অভিযোগ, মহানগর কমিটি কোনো নেতাকর্মীদের খবর নেয়নি। কর্মীরা কেমন আছে, যারা জেলে গেছে তাদের কী অবস্থা কোনো খবরই রাখেননি তারা।
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটিতে বাকি যেসব শূন্যপদগুলোও আছে, সেগুলোও সামনে পূরণ করা হবে। পাশাপাশি সদ্য বিলুপ্ত হওয়া ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং যুবদলের কমিটিও শিগগিরই দেয়া হবে।