‘বি’ গ্রুপে ৩ ম্যাচে শতভাগ জয়ে ভেনেজুয়েলার পয়েন্ট ৯। সমান ম্যাচে একটি করে জয় ও ড্রয়ে একুয়েদর ও মেক্সিকোর পয়েন্ট সমান ৪ করে। গোল ব্যবধানে এগিয়ে গ্রুপ রানার্স আপ হয়ে শেষ আটের টিকেট পেয়েছে একুয়েদর। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের যোগ করা সময়েরও সপ্তম মিনিটে মেক্সিকো ফরোয়ার্ডরা ঢুকে পড়েন প্রতিপক্ষের বক্সে। বক্সের ভেতর মার্টিনেজ আয়ালাকে ফাউল করেন ইকুয়েডরের তোরেস। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি, উল্লাসে ভাসে মেক্সিকো। পেনাল্টি নেওয়ার প্রস্তুতিও নিয়ে ফেলেছিলেন তারা। কিন্তু মেক্সিকোকে হতবাক করে ভিএআরের সাহায্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রেফারি। বেশ খানিকটা সময় ভিএআর রেফারির সাথে আলোচনা করে পেনাল্টি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন মেক্সিকো ফুটবলাররা।
‘জিততেই হবে’ এমন সমীকরণের সামনে ৬০ শতাংশ বলের দখল রেখে ১৯টি শট নেয় মেক্সিকো, লক্ষ্যে রাখতে পারে ৩টি, কিন্তু জালের দেখা পায়নি। শেষ পর্যন্ত গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হলো ২০২৬ বিশ্বকাপের সহআয়োজক মেক্সিকোকে।
প্রথমার্ধে ভেনেজুয়েলাকে আটকে রেখেছিল জ্যামাইকা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে আর পেরে ওঠেনি। ৫৩ শতাংশ বলের দখল রেখে ১৭টি শট নেয় ভেনেজুয়েলা, এর মধ্যে তিনটি ছিল লক্ষ্যে, তিনটিতেই তারা পেয়ে যায় জালের দেখা।
৪৯তম মিনিটে দলকে এগিয়ে নেন এদুয়ার্দ বেলো। সাত মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সলোমন রন্দন। আর ৮৫তম মিনিটে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন এরিক রামিরেস।
৪৭ শতাংশ বলের দখল রাখলেও ৮ শটের কেবল একটি লক্ষ্যে রাখতে পারে জ্যামাইকা।