প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সোমবার পাঁচ আগস্ট শেখ হাসিনার হেলিকপ্টারে করে দেশ ছাড়ার দিন সায়মা ওয়াজেদ থাইল্যান্ডে ছিলেন। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালকের দায়িত্বে থাকায় বর্তমানে তাকে সংস্থাটির কার্যালয় দিল্লিতে থাকতে হচ্ছে তাকে। তবে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের দিন মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার ও আলোচনা সভায় যোগ দিতে সায়মা ওয়াজেদ ব্যাঙ্ককে গিয়েছিলেন। যদিও মায়ের দিল্লিতে আসার খবরে তিনি দ্রুতই দিল্লিতে চলে আসেন।
এরপরও কেন শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে পারলেন না পুতুল। তা নিয়ে দিল্লিতে ভারতের একজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা বিবিসি বলেন, সায়মা ওয়াজেদ যেহেতু হু-র আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে জাতিসংঘ বা আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা – সে কারণেই হয়তো বিশেষ পরিস্থিতিতে ভারতে আসা শেখ হাসিনার সঙ্গে তার দেখা হয়ে ওঠেনি।
‘প্রথম কথা হল উনি দিল্লিতে কি না, তা আমি জানি না। আর যদি থেকেও থাকেন, উনি শেখ হাসিনার মেয়ে তো বটেই, কিন্তু আন্তর্জাতিক একটি সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবের সায়মা ওয়াজেদের আরও একটা পরিচয়ও আছে – আর সেটাই হয়তো এখানে দেখা করার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে উঠেছে বলে ধারণা করছি।’