ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ১৪ রান করেছিলেন মুশফিক। আঙুলে চোট পাওয়ায় দ্বিতীয় ইনিংসে আর ব্যাটিংয়েই নামেননি তিনি। যদিও চোট গুরুতর নয়, অভিজ্ঞ ব্যাটার নিজেই জানিয়েছেন তা। তবুও প্রথম টেস্টে তাকে পাওয়া নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। যদিও মুশফিকের আশা, এর আগেই সেরে উঠবেন, ‘কয়েক দিন ভারী বর্ষণের কারণে ম্যাচটা বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। আমরা যথাযথ অনুশীলন করতে পারিনি। প্রথম কয়েক দিনে শুধু একটি নেট সেশন হয়েছিল। তো এটিও আদর্শ নয়। তবে মাঠে আমি সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করেছি। প্রথম ইনিংস আমাদের পক্ষে ছিল না। দ্বিতীয় ইনিংসের আগে নেটে আমি আঙুলে ব্যথা পেয়েছিলাম। তাই ব্যাটিং করিনি। আশা করি, দ্রুতই সেরে উঠব এবং প্রথম টেস্ট খেলব।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ দুটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। লম্বা বিরতি শেষে টেস্ট খেলতে নামার আগে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার ‘এ’ দলের হয়ে খেলছেন পাকিস্তান শাহিনসের বিপক্ষে। তবে কেউই তেমন কিছু করে দেখাতে পারেননি। বাংলাদেশি ব্যাটারদের ওপর বেশ প্রভাব বিস্তার করে খেলেছে পাকিস্তানি বোলাররা। ব্যাট হাতে ‘এ’ দলকে পিষ্ট করেছেন উমর আমিন ও সৌদ সাকিল। তাদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন মুশফিক। পাশাপাশি ‘এ’ দলের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতাও ব্যক্ত করেছেন তিনি, ‘এখন পর্যন্ত সবকিছু দারুণ। যদিও ম্যাচটা আমাদের পক্ষে আসেনি। আবহাওয়াও কিছুটা বাধ সেধেছে। আমার মতে, পাকিস্তান শাহিনস অনেক ভালো খেলেছে। বিশেষ করে উমার ভাই অসাধারণ খেলেছেন। বোলাররাও... নাসিম ভাই, মোহাম্মদ আলি, মীর হামজাও বিভিন্ন ধাপে ভালো বোলিং করেছেন। আমাদের ‘এ’ দলে বেশ কয়েকজন তরুণ ছেলে আছে। আমি নিশ্চিত তারা এটি থেকে অনেক শিখতে পেরেছে।’
আগামী ২১ আগস্ট রাওয়ালপিন্ডিতে শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। বাংলাদেশ দল পাকিস্তান সফরের দুটি টেস্টসহ আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট আটটি টেস্ট খেলবে। ব্যস্ত সূচির আগে ‘এ’ দলের ম্যাচগুলো ক্রিকেটারদের প্রস্তুতিতে দারুণভাবে সাহায্য করবে বলে জানান অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিক, ‘আমাদের সামনে কয়েকটি টেস্ট ম্যাচ আছে। এই স্কোয়াড থেকে যারা ওই দলে যোগ দেবে, নিশ্চিতভাবেই এটি সাহায্য করবে। কারণ অন্যরা আসার আগেই আমরা এখানে এসে কিছু প্র্যাকটিস সেশন করতে চেয়েছিলাম। আশা করি, এটি আমাদের জন্য উপকারী হবে।’