আবার ২০২০ সালে মানুষের হাতে রাখা অর্থের অঙ্ক ছিল ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা। সেই হিসাবে ২০২১ সালে হাতে নগদ অর্থ বেড়েছিল ২৩ হাজার ২৬১ কোটি টাকা বা ১১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংক ঋণে সুদহারে সীমা, মূল্যস্ফীতি ও ঋণ কেলেঙ্কারির কারণে অনেক গ্রাহক সঞ্চয়ের টাকা ব্যাংক থেকে অস্বাভাবিকভাবে উত্তোলন করেন। এতে গত এক বছরের ব্যবধানে মানুষের হাতে নগদ অর্থের পরিমাণ বেড়েছে ৫৭ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা, যা ২১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। আর তারল্য সংকট সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে প্রয়োজনীয় তারল্য সুবিধা দিয়ে গ্রাহকের আস্থা ধরে রাখার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এমনকি গত রোববারও প্রচলিত ব্যাংকের মতো শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংককে আপৎকালীন অর্থ সহায়তার লক্ষ্যে নতুন নীতিমালা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।