বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো: সুমন হাওলাদার জানান, বন্যায় কয়েক হাজার খামার একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে। এ কারণে ডিমের সরবরাহ কমেছে। কিন্তু এ সময় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো ডিমের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করায় বাজারে অস্থিরতা চলছে।
তিনি বলেন, আমদানি না করে সরকারের উচিত করপোরেটগুলোকে ধরা এবং ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের আবার উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা।
বিপিআইসিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে ডিমের উৎপাদনের ১৩.৯৬ শতাংশ বা ৬০ লাখ পিস সরবরাহ করে বড় প্রতিষ্ঠান। বাকি ৮৬.০৪ শতাংশ সরবরাহ আসে ক্ষুদ্র খামারি থেকে। এই হিসেব করা হয়েছে বন্যার আগের প্রতিদিনের ৪.৫০ কোটি পিস উৎপাদনের তথ্য থেকে।
এদিকে কম উৎপাদনে ডিমের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছে নি¤œ আয়ের মানুষ। কারণ ঢাকার বাজারে শুধুমাত্র আলুর দাম কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে। তাছাড়া সব সবজিই এখন ১০০ টাকার আশপাশে, যা সাধারণ মানুষকে বেকায়দায় ফেলেছে। এ অবস্থায় মানুষ যে ডিমের ওপর নির্ভর করবে সেটাও অনেকটা নাগালের বাইরে।