ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে ম্যাচটিতে প্রথমার্ধেই দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে রিয়াল। স্বাগতিকদের বিপক্ষে সমানে সমানই লড়াই করেছে জার্মান ক্লাবটি। তবে আক্রমণে রিয়াল ছিল এগিয়ে। তবে প্রথমার্ধে হোলের দেখা পায়নি আনচেলত্তির শিষ্যরা, উল্টো হজম করতে হয় দুই গোল।
ম্যাচের ৩০ মিনিট প্রথম লিডের দেখা পায় ডর্টমুন্ড। ডনিয়েল ম্যালেন প্রথম গোল করার ৪ মিনিট পরই ব্যবধান দ্বিগুণ করে ডর্টমুন্ড। এবার গোলটি করেন জেমি গিটেন্স। এদিকে দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর আক্রমণের ধার বাড়ায় রিয়াল। তবে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি দলটি।
এদিকে রিয়াল গোল পায়নি দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও। সমতায় ফেরার লক্ষ্যে একের পর এক আক্রমণ চালালেও মিলছিল না জালের দেখা। তবে ম্যাচের ৬০ মিনিটে দেখা দেয় সফলতা। কিলিয়ান এমবাপে-আন্তোনিও রুডিগারের যুগলবন্দিতে প্রথম গোল পায় রিয়াল। ফরাসি স্ট্রাইকারের বাড়িয়ে দেয়া বলে হেড করে জালের ঠিকানা খুঁজে পান রুডিগার। অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করলেও ভিএআরে বদলায় সিদ্ধান্ত।
রুডিগার গোল করার ২ মিনিট পরই জালের দেখা পান ভিনিসিয়ুসও। ব্রাজিলয়ান উইঙ্গারের গোলে সমতায় ফিরে রিয়াল। এরপর ম্যাচের ৮৩ মিনিটে এগিয়ে যায় রিয়াল। এবার লস ব্লাঙ্কোসদের হয়ে গোলটি করেন লুকাস ভাজকেজ।
ম্যাচের বাকি সময়ে আরও দুই গোল করেছেন ভিনি। নির্ধারিত নব্বই মিনিট শেষ হওয়ার ৩ মিনিট আগে তিনি নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন। আর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে পূরণ করেন নিজের হ্যাটট্রিক। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়ালের হয়ে ভিনির প্রথম হ্যাট্ট্রিকও এটিই।