calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / সম্পাদকীয় / আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানই কাম্য নগরীতে অরাজক পরিস্থিতি:
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সম্পাদকীয় বিশেষ প্রতিবেদন

আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানই কাম্য নগরীতে অরাজক পরিস্থিতি:

‘ভুল চিকিৎসায়’ রাজধানীর ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর অভিযোগ তুলে ৩৫টি কলেজের শিক্ষার্থীরা রোববার একজোট হয়ে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজে হামলা ও ভাঙচুর...

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৪ • দুপুর ০২:১৬
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৫ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৩২৮ বার পঠিত

অন্যদিকে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল বন্ধে উচ্চ আদালতের নির্দেশনার প্রতিবাদে এর চালকরা ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ করেছেন। রোববার তারা নগরীর যাত্রাবাড়ী, গুলিস্তান, পল্টন, প্রেস ক্লাব, শাহবাগ, সায়েন্সল্যাব, মোহাম্মদপুর, আসাদগেটসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেন। এছাড়া যাত্রাবাড়ী ও মোহাম্মদপুরে সংঘর্ষ ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৫ জন। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে আরও কয়েকটি বিক্ষোভ-সমাবেশের ঘটনা ঘটেছে। বস্তুত বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ, ভাঙচুর ও সংঘর্ষের শহর হয়ে উঠেছে ঢাকা। এতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। ফলে প্রায় সব শ্রেণির মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।

রোববার লক্ষ করা গেছে, এসব ঘটনায় নগরীতে জনভোগান্তি সৃষ্টি হলেও পুলিশ সেভাবে অ্যাকশনে যায়নি। বিভিন্ন পক্ষ বিক্ষুব্ধ হলেও সরকার যে ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে, তা সাধুবাদযোগ্য। শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের উচিত সরকারের এ আচরণের মর্মার্থ বুঝে ভবিষ্যতে সংযমের পথ বেছে নেওয়া। বলার অপেক্ষা রাখে না, বিক্ষোভের সময় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। অতীতেও দেখা গেছে, যে কোনো আন্দোলন বা বিক্ষোভের সময় সড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহন ও নিরীহ যাত্রীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়েছে, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালানো হয়েছে, যা মোটেই কাম্য নয়। আমরা মনে করি, যে কোনো বিবদমান ঘটনায় আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা প্রতিষ্ঠাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তা না হলে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এতে জনসাধারণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ছন্দপতন ঘটে, বিঘ্নিত হয় নিরাপত্তা।

ভুলে গেলে চলবে না, অবরোধ-ভাঙচুরসহ কোনো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড কখনোই দাবি আদায়ের মাধ্যম হতে পারে না। দেশের ছাত্রসমাজ, যারা দেশ গড়ার কাজের সহযোগী ও অংশীদারও বটে, তাদের ধৈর্যের পরিচয় দেওয়া উচিত। কখনোই ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত হওয়া সমীচীন নয়। মনে রাখতে হবে, জনগণ ও সরকার একই বাইসাইকেলের দুটি চাকার মতো। একটি না থাকলে আরেকটি চলবে না। কাজেই উভয়ের স্বার্থরক্ষায় উভয়পক্ষকেই আন্তরিক হতে হবে। জনসাধারণের স্বার্থ সংরক্ষণের যৌক্তিকতা নিয়ে দ্বিমত পোষণের অবকাশ নেই। সব পক্ষের যৌক্তিক দাবি থাকতেই পারে, তাই বলে বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে কেউ যেন দেশবিরোধী অপতৎপরতায় লিপ্ত হতে না পারে, সে বিষয়ে সবারই সচেতন থাকা উচিত। অন্যথায়, ষড়যন্ত্রকারীরা এ থেকে ফায়দা লুটতে পারে। সোমবার ‘অহিংস গণঅভ্যুত্থানের’ ব্যানারে রাজধানীর শাহবাগ ও টিএসসি এলাকায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার মানুষ এনে জড়ো করার যে ব্যর্থ চেষ্টা হয়, এটি তার জ্বলন্ত উদাহরণ। দাবি আদায়ের বিষয়ে সব পক্ষ সংযমের পরিচয় দিয়ে আলোচনার টেবিলকেই বেছে নেবে, এটাই প্রত্যাশা।