র্যাবে আয়নাঘর ছিল কি না- এই প্রশ্নের জবাবে র্যাব ডিজি বলেন, র্যাবে আয়নাঘর ছিল, আছে। গুম, খুন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে আয়নাঘরসহ যা যে অবস্থায় আছে সেভাবেই রাখার জন্য। আমরা কোনো পরিবর্তন, পরিবর্ধন করিনি। যা যে অবস্থায় ছিল, সে অবস্থাতেই রাখা হয়েছে।
র্যাবের কোনো সদস্য আইন নিজের হাতে তুলে নিলে বা অপরাধে জড়ালে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।
গত ৫ আগস্ট অন্তবর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে র্যাবের ১৬ সদস্যকে আটক করার কথা জানান বাহিনীটির মহাপরিচালক।
তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসার অভিযোগে ফৌজদারি মামলা দায়ের করে আইনি ব্যবস্থা চলছে বলেও জানান তিনি।
র্যাব গঠনের পর থেকে এ পর্যন্ত বাহিনীর ৫৮ কর্মকর্তা এবং চার হাজার ২৩৫ সদস্যকে অভিযুক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালাতে যারা হুকুমদাতা বা এ সংক্রান্ত যেসব মামলা রুজু হয়েছে, সেই মামলায় এ পর্যন্ত সাবেক চার মন্ত্রী, ১৭ এমপিসহ ৩৫৩ জনকে গ্রেফতারের কথা জানান তিনি। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
র্যাব সৃষ্টির পর থেকে এ পর্যন্ত যারা র্যাব দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন র্যাব ডিজি।