রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দুর্ঘটনাগুলো সবচেয়ে বেশি হয়েছে আঞ্চলিক সড়কে, এর সংখ্যা ২ হাজার ৭৩৬টি। আর ২ হাজার ৩৫৭টি হয়েছে জাতীয় মহাসড়কে, ৯৭২টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৭৮৪টি শহর এলাকার সড়কে। এ চিত্র থেকে ধারণা পাওয়া যায় দেশের সড়ক-মহাসড়কগুলো কতটা অনিরাপদ। রোড সেফটির পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দুর্ঘটনার মধ্যে সবেচয়ে বেশি হয়েছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। বিভিন্ন গবেষণায় এটি স্পষ্ট হয়েছে, অতিরিক্ত গতি ও চালকের বেপরোয়া মনোভাবের কারণে সারা দেশে দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে চলেছে। সড়ক দুর্ঘটনার অন্য কারণগুলোও বহুল আলোচিত। কাজেই দেশে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে এক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধানে পদক্ষেপ নিতে হবে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে পথচারী ছিল ৫১ শতাংশের বেশি। কাজেই রাজধানীসহ সারা দেশের পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। পরিবহণচালকদের অধিকাংশই অদক্ষ-প্রশিক্ষণহীন-লাইসেন্সবিহীন। বহু যানবাহনের নেই ফিটনেস। চাঁদাবাজিসহ পরিবহণ খাতের আরও সমস্যা বহুল আলোচিত। এসব সমস্যার সমাধান না হলে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পরও সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে কি না সন্দেহ।
সড়ক অনিরাপদ
সারা দেশের সড়ক-মহাসড়কগুলো নিরাপদ করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলছে না। বিষয়টি উদ্বেগজনক। বুধবার রাতেও রাজধানীর অদূরে সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী, শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছেন। রাত ২টার ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে...