প্রধান নির্বাচক আরও বলেছেন, ওপেনলি একজন লিজেন্ডারি ক্রিকেটারকে কেন দলে রাখা গেল না- এটা আলোচনা করা ভালো কথা না। এ মুহূর্তে দলে যারা আছেন তারা এগিয়ে আছেন, ঘরোয়া ক্রিকেট খেলছেন, আস্থা সে কারণেই।
জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক আরও বলেন, একজন ২৫ বছরের তরুণ যতটা সতেজ থাকে ৩৫ বা ৩৭ বছরের খেলোয়াড় ফিটনেসের জায়গায়… সবই বলব না, তবে অনেকের জন্য ধরে রাখা কঠিন হয়। বয়সের সাথে সাথে রিফ্লেক্স কমে, মুভমেন্ট স্লো হয়। কেউ ব্যাটিংয়ে কভার করে দেয়। যে দুটো নাম বললেন সেটাই না, বিভিন্ন নামের ক্ষেত্রেই বিবেচনায় আনতে হয়। শুধু ব্যাটসম্যান না, বোলারদের ক্ষেত্রেও।
সাকিব সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০২৩ সালের নভেম্বরে বিশ্বকাপে শ্রীলংকার বিপক্ষে। সেই ম্যাচে ৮২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এরপর লম্বা সময় ধরে তিনি ওয়ানডে না খেললেও ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের গত মৌসুমে ব্যাট হাতে ছিলেন সফল। ৬ ম্যাচে ৪৩.৬৬ গড় ও ৯৯.২৪ স্ট্রাইক রেটে তিনি করেন ২৬২ রান।
ওয়ানডেতে দেশের ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সাকিব। ২৭২ ম্যাচে ৩৭.২৯ গড় ও ৮২.৮৪ গড়ে ৭ হাজার ৫৭০ রান করেছেন।
গত ভারত সফরের সময় টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেন সাকিব। তখন ঘোষণা দিয়েছিলেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নেবেন।